আসর বন্দনা-
একবার এস দুটি ভাই গৌউর নিতাই
দ্বিজমনি দ্বিজ রাজ হে।।
আমি পুজিব চরণও এই আকিঞ্চন।।
রাখিব হৃদয় মাঝে।।
হৃদয় মাঝে রেখে চরণ পূজা করিব।
প্রাণ গৌউর তোমার……………
যুগল চরণ হৃদয় মাঝে রেখে পূজা করিব।
মাঝে রেখে চরণ পূজা করিব
আমার হৃদ আসনে বসাইয়ে
হৃদয় মাঝে রেখে চরণ পূজা করিব।
মাতান
আমার মন তুলসী আর নয়ন জলে
হৃদয় মাঝে রেখে পূজা করিব।।
অন্তরা
বল কি আছে আমার পূজা উপাচারও
কি দিয়ে পূজিব হরি হে………।।
আমার কিবা আছ আর কিবা দিব
ওগো প্রাণ গৌউর তোমার যুগল চরণে
কিবা আছে আর কিবা দিব।।
আমি গৌরাঙ্গ বলিয়া কাঁদিয়া কাঁদিয়া
রেখেছি নয়ন বারি।
বিফলে যাবে
বল তাও কি আমার বিফলে যাবে।
আমার নয়নের জল বিফলে যাবে
যদি তোমার সেবায় না লাগিলে
নয়নের জল আমার বিফলে যাবে।
কোন বা দেশে থাক হে গৌউর সে দেশ কত দুর।
আর সেই দেশে কি যায় না আমার করুণ কান্নার সুর।
ডাকার মত তোমার ডাক জানিনা।
তাইতে তোমার দয়া হয়না।
ডাকার মত তোমার ডাক জানিনা।
আমি ডাকলে তোমার পেতাম কৃপা।।
হা গৌউর দয়া কর বলে ডাকলে তোমার পেতাম কৃপা।।
মাতান
হা গৌউর দয়া কর বলে ডাকলে তোমার পেতাম কৃপা।।
ও গৌউর হে গৌউর হে
গৌউর হে ও হে।
অন্তরা
যন্ত্র যদি পড়ে থাকে লক্ষ জনার মাঝে।
যান্ত্রিকও বিহণে যন্ত কেমনে তা বাজে।।
আমার আছে জিহ্বা যন্ত্র তুমি যন্ত্র ধারী।।
আপনি বাজালে হরি আমি বাজতে পারি।।
বাজাও না শুনি।।
তোমার ভাই নিতাইকে সঙ্গে নিয়ে তোমার যন্ত্র
তুমি বাজাও না শুনি।
ও গৌউর হে গৌউর হে
গৌউর হে ও হে।
অন্তরা
এস গৌউর চন্দ্র গৌউর হরি এস কির্তন মাঝে।।
একবার এসে দাঁড়াও দেখি।
তোমার গদাধরকে বামে লয়ে একবার এসে দাঁড়াও দেখি।
তোমার গৌউর লীলার সময় হল
আমার হৃদ কদম্ব যমুনা তটে গৌউর লীলার সময় হল।
জগত কাঁদাইয়ে প্রেমে ভাষাইয়ে।
আমি কি জগত ছাড়াহে…..
হলাম আমি কি এই জগত ছাড়া।।
জগতকে ভাষালে গোরা হলাম আম কি এই জগত ছাড়া।
তুমি যদি ছাড় প্রভু আমি না ছাড়িব।
বাজন নুপুর হয়ে চরণে বাজিব।।
তোমার চরণে বাজব।
সোনার
নুপুর নাইবা হলাম চরণে বাজব।
মাতান
সোনার নুপুর নাইবা হলাম ওগো প্রাণের গৌউর হরি।।
ও গৌউরহে
গৌউর হে গৌউর হে ও হে।
আরে কোথা প্রভু নিত্তানন্দ পতিত পাবন।
পদ্মাবতির প্রাণধন অন্ধের নয়ন
নিতাইচাঁদ আমার অন্ধের নয়ন
সে যে না চাহিতে দেয় প্রেমধন,
নিতাইচাঁদ আমার অন্ধের নয়ন।।
এমন দয়াল দেখি নাইরে
আর কোন
যুগের মাঝে, এমন দয়াল দেখি নাইরে।।
মার খাইয়ে দয়া করে,
পতিত পাবন নিতাই আমার মার খাইয়ে দয়া করে।।
আরে কোথা প্রভু নিত্যানন্দ পতিত পাবন।।
তরাশে স্মরণ মাগী জগতবন্ধু দাস
স্মরণ নিলাম
ঐ চরণে স্মরণ নিলাম।
চরণ ছাড়া করোনা গো ঐ চরণে স্মরণ নিলাম
মাতান
চরণের একপাশে রাখ ঐ চরণে স্মরণ নিলাম।।
চরণ ছাড়া করোনা গো ঐ চরণে স্মরণ নিলাম।
ও গৌউরহে
গৌউর হে গৌউর হে ও হে।
আসর বন্দনা- ২
গৌউর এস হে ওহে ওহে ওহে।।
তোমার ভাই নিতাইকে সংগে করে গৌউর এস হে ওহে
এসে তোমার কির্ত্ন তুমি করো গৌউর এস হে ওহে
একবার এস দুটি ভাই গৌউর নিতাই।।
দ্বিজমনি দ্বিজ রাজ হে।।
পূজিব চরণ এই আকিঞ্চণ রাখিব হৃদয় মাঝে।
হৃদয় মাঝে রেখে চরণ পূজা করিব।।
ওগো আমার মনের এই বাসনা।।
হৃদয় মাঝে রেখে চরণ পূজা করিব।।
পূজা করিব।।
আমার মন তুলসি ভক্তিরিসে
হৃদয় মাঝে রেখে চরণ পূজা করিব।।
যন্ত্র যদি পড়ে থাকে লক্ষ জনার মাঝে,
যান্ত্রিকও বিহনে যন্ত্র কেমনে তা বাজে।
একা যদি আসতে নারো ভাই নিতাইকে সঙ্গে করো।
নদে করো হিয়ার মাঝারে।
নদে করো গো নদে করো।।
আমার হিয়ার মাঝারে তুমি নদে করো নদে করো।
যন্ত্র বাজে না বাজে না,
ওগো যান্ত্রিকও বিহনে যন্ত্র,বাজে না বাজে না,
আমার আছে দেহ যন্ত্র, তুমি যন্ত্র ধারী।
আপনি বাজালে হরি আমি বাজতে পারি।।
একবার বাজাও না শুনি।।
ওগো তোমার যন্ত্র তুমি বাজাও না শুনি।
ওগো উপলক্ষ্য শুধু আমি তোমার যন্ত্র তুমি বাজাও না শুনি।।
এস গৌউর চন্দ্র গৌউর হরি এস কির্ত্নও মাঝে।।
তুমি একবার এস দাঁড়াও দেখি।।
তোমার ভাই নিতাইকে বামে লয়ে একবার এস দাঁড়াও দেখি।।
একবার বাঁকা হয়ে দাঁড়াও দেখি
এস তোমার কির্ত্ন তুমি করো,বাঁকা হয়ে দাঁড়াও দেখি।।
আমি শুনেছি পুরাণে সাধুগুরু স্থানে ডাকলে আস হে তুমি
তোমার সাধনও জানিনা ভজনও জানিনা।।
কি দিয়ে পুজিব আমি হে গৌউর কি দিয়ে পুজিব আমি।
আমার কিবা আছে কিবা দিব।।
ওগো প্রভু তোমার ঐ চরণে,কিবা আছে কিবা দিব।।
বল কি আছে আমার পুজা উপাচারও।।
কি দিয়ে পুজিব হরি.........
আমি গৌরাঙ্গ বলিয়া কাঁদিয়া কাঁদিয়া।।
প্রভুগো রেখেছি নয়ন বারি,রেখেছি নয়ন বারি।।
বিফলে যাবে
বল তাও কি আমার বিফলে যাবে।
আমার নয়নের
জল শুধুই
সম্বল তাও
কি আমার
বিফলে যাবে।
তুমি নামে
ভাষাইয়ে জগত
ঊদ্ধারিলে, আমি
কি জগত
ছাড়া।
বল আমিকি
তোমার কেউ
নয় গৌউর।
তুমি পতিত
পাবন নাম
ধরেছ আমি
কি তোমার
..... গৌউর
আমি বুঝি
সেই পথে
ছিলাম না।।
তুমি যে
পথেতে নাম
বিলালে গৌউর,
আমি বুঝি
সেই পথে
ছিলাম না।।
আমি থাকলে
পথে তোমায়
পেতাম দয়াল
আমি বুঝি
সেই পথে
ছিলাম না
তাইতে তোমার
দয় হলোনা
আর কোথা
বল নিত্যানন্দ পতিত পাবন।।
তুমি পদ্মাবতীর প্রাণধন অন্ধেরও নয়ন।।
তুমি অন্ধ
জনার নয়নমনি।।
পতিত পাবন
অবতারে অন্ধ
জনার নয়নমনি।।
শুধু আমি
পতিত রইলাম
পড়ে,অন্ধ
জনার নয়নমনি।।
আর কোথা
প্রভু নিত্যানন্দ ব্রম্ম হরিদাস।।
তরাসে চরণও
মাগে জগতবন্ধুদাস।।
তোমার ঐ
চরণে স্মরণ
নিলাম।।
তোমার চরণ
ছাড়া করো
না গো,
ঐ চরণে
স্মরণ নিলাম।
0 মন্তব্যসমূহ