আম

দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় ৬০০ বছরেরর পুরোনো একটি সুমিষ্ট ফল, যার রয়েছে অসাধরণ পুষ্টিগুণ এবং আমরা একে আম নামে চিনে থাকি। সাধারণত আম শরীরের দ্রুত শক্তি যোগান দেওয়ার পাশাপাশি রয়েছে এর কিছু অসাধারণ পুষ্টিগুণ। তবে অধিকাংশ মানুষ সাধারণ আম একটি সুমিষ্ট ফল হিসাবে গ্রহণ করে থাকে। তবে আপনি চাইলে এর পুষ্টিগুণ বিচার করে কিছু ঔষধি হিসেবেও গ্রহণ করতে পারেণ।



আমে থাকা ভিটামিনঃ 

আমে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ভিটামিন এ, বিটা ক্যারোটিন, আলফা ক্যারোটিন, প্রি বায়োটিক. ডায়েটারি ফাইবার, খনিজ ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট।


আম ফলের কিছু টোনকা চিকিৎসাঃ

১। রাতকানাঃ জেনে অবাক হবেন যে, কাচা ও পাকা আম রাতকানা রোগের মহাঔষধ। 

২। দাতেঁর ব্যাথাঃ আমের পাতা মহাঔষধ গুণ সম্পন্ন, কচি পাতার রস ছেচে দাতে মালিশ করলে দাতের ব্যথা সেরে যায়।

৩। পাতলা পায়খানাঃ যদি কারো অত্যাধক পরিমানে পাতলা পায়খানা হয় তবে তাকে আমের কচি পাতার রস ২/৩ চামচ ৪ ঘন্টা অন্তর অন্তর খাওয়ালে পায়খানা বন্ধ হয়ে যায়।

৪। পুরনো আমাশয় ও প্রসাবের জ্বালা যন্ত্রণাঃ আমের মুকুল (ফুল) শুকিয়ে তা চূর্ণ করে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেলে অনেক পুরনো আমাশয় ভালো হয়। আমের মুকুল শুকোনো দীর্ঘ সময় পনিতে ভিজিয়ে  রেখে ভালো করে ছেকে নিয়ে সারাদিন বারে বারে পান করুন।

৫। ত্বক ও চুলঃ আম খেলে যে চেহারা সুন্দর হয় এবং চেহারায় নতুন ত্বারুণ্য ফেরত আসে তা হয়তো অনেকে জানা। আমে থাকা প্রি বায়োটিক ও ডায়েটারি ফাইবার যা চুল সুন্দর করতে এবং চুলের গোড়া মজবুত করতে সহায়তা প্রদান করে।

৬। বায়েবেটিক কমাতেঃ প্রতিদিন আমের ৫/৬ টি কাচা পাতা সেদ্ধ করে ছেকে সেই পানি পান করুন। 

৬। একাধিক রোগের ঔষধঃ আমারে পাতার (শুকনো) চূর্ণ বায়বেটিক (বহুমূত্র), জ্বর, বুকের ব্যথা রোগের ঔষধ হিসাবে কাজে লাগে।