সূচীপত্র
ভক্তিমূলক
গান
০১. তুমি ভক্তের হও ভগবান
০২. কে আনিল রে
০৩. আমার হরি বলা পাখিরে
০৪. কবে চৈতন্য মোরে করিবেন দয়া
০৫. তোর গৌরা যে নদা ছেড়ে মাগো
০৬ ওরে নীল দরিয়ার জল
০৭. প্রেমানন্দে বাহু তুলে
০৮. বনমালী তুমি
০৯. এই দেহের হইয়া কান্ডারী
১০. ওরে মন ওরে মন
১১. কবে যাব বিষয় ছেড়ে
১২. ধুলি মাখ মাখ গো
১৩. বাঁশরিয়া রায়
১৪. হরি নাম কৃষ্ণ নাম গেয়ে যাও
১৫. সুন্দর লাল
১৬. কত সাধনার ফলে এমন
১৭. ধর চরণ ছেড়না
১৮. আমি কি দিয়ে পুজিব
১৯. রাত পোহালে পাখি বলে
২০. বারে বারে আর আসা হবে না
২১. মম অন্তর মন্দিরে
২২. যদি গৌর না হইত
২৩. রজনী প্রভাত কালে
২৪. কলিতে হরি নাম জীবের পরিনাম
২৫. সর্বত মঙ্গল রাধে
২৬. হরি দিনতো গেল সন্ধ্যা
২৭. গোপালকে দড়ি দিয়ে বেঁধে
২৮. আমি বৃন্দাবনের পথে পথে
২৯. নদীয়া নগরে আজ
৩০. গিরীধারী তোমার লাগিয়া
৩১. হরিনামে কি আনন্দ
৩২. মায়ের একফোটা দুধের দাম
৩৩. আমি বৃন্দাবনের পথে পথে
৩৪. জয় রাধে রাধে কৃষ্ণ কৃষ্ণ
৩৫. রাজরানী মীরা ভিক্ষারিনী
৩৬. বনমালী তুমি পর জনমে
৩৭. ভজ গৌরাঙ্গ কহ গৌরাঙ্গ
৩৮. গুরুনা ভজিলাম সন্ধ্যা সকালে
৩৯. গুরুনা ভজিলাম কি ভুল
৪০. তোমায় হৃদ মাঝারে রাখব
৪১. ভ্রমর কইয়ো গিয়া
৪২. আছে গৌর নিতাই নদীয়াতে
৪৩. আর কত কাল গিরিধারী লাল
৪৪. কোথা আছ গুরুদেব
৪৫. এই পৃথিবীর পান্তশালায়
৪৬. দেখেছি রূপ সাগরে মনের মানুষ
৪৭. ভক্তের ডাকে ভগবান কাঁদে
৪৮. যদি ভুল কিছু করি ওহে দয়াল হরি
৪৯. যারে মাধাই জেনে আয়
৫০. ওরে মন যাবি যদি মধুর
বৃন্দাবন
দেহতত্ত গান
০১. হাতির দাঁতের পালঙ্ক তোর
০২. যেদিন পাখি যাবে উড়ে
০৩. ও তোর মাটির দেহ মাটি
০৪. প্রণাম নিও সকল মাতা
০৫. গর্ভে ধরেছে মা পেয়ে কত
০৬. ওপার হতে যারা সাথে
০৭. কে আর বাজাবে বাঁশি
০৮. ছেড়ে দে নৌকা মাঝি
০৯. আমার পোষা পাখি উড়ে যাবে
১০. এই পৃথিবী যেমন আছে
১১. মানবকূলে কেন জনম দিলে
১২. যে বিয়ে হলে কেউ আসেনা
১৩. আমার সাধ না মিটিল
১৪. এখনো সে বৃন্দাবনে বাশিঁ
১৫. বৃদ্ধাশ্রম
১৬. তোমরা কুঞ্জ সাজাও গো
১৭. ছল ছল নয়নে হাঁসিমাখা বদনে
১৮. তিন ইঞ্চি নদীতে পড়ে সাড়ে তিন হাত
শ্যামা সঙ্গীত
০১. মায়ের পায়ের জবা হয়ে
০২. চাই না মাগো রাজা হতে
০৩. শ্যামা মা কি আমার কাল
রবীন্দ্র সঙ্গীত
০১. অলি বার বার ফিরে যায়
০২. চোখের আলোয় দেখে ছিলেম
০৩. আমার হিয়ার মাঝে
০৪. আমার বেলা যে যায়
০৫. ভেঙ্গে মোর ঘরের চাবি
০৬. যদি তোর ডাক শুনে
০৭. আজি ঝর ঝর বাদল মুখর
০৮. আমার সকল দুখের প্রদীপ
০৯. মেঘের কোলে রোদ হেসেছে
০১. লাইলী তোমার এসেছে ফিরিয়া
০২. আমায় নহে গো ভালবাস
০৩. খেলিছো এ বিশ্ব লয়ে
ভাটিয়ালী গান
০১. নোঙ্গর ছাড়িয়া নায়ের
০২. কল খর ছল ছল নদী করে
০৪. সর্বনাশা পদ্মা নদী
০৫. তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর
হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গান
০১. আজ দুজনার দুটি পথ
০২. আমিও পথের মত হারিয়ে
০৩. মেঘ কাল আধাঁর কাল
০৪. কেন দুরে থাক
সুবীর নন্দীর গান
০১. আমি বৃষ্টির কাছ কাঁদতে
আধুনিক গান
০১. আকাশের হাতে আছে
০২. আমার গানের মালা
০৩. দুদিনের এই প্রান্ত শালায়
০৪. বলবো না গো আর কোন
০৫. (যদি) ভুল বুঝে চলে যাও
০৬. যারে যারে যাবি যদি যা
০৭. বাবার বাড়ি এই গেরামে
০৮. মনের বাগানে ফুটিল ফুলরে
০৯. আজ বিকেলের ডাকে তোমার চিঠি
১০. মধুমলতি ডাকে আয়
১১. একটা গান লেখ আামার জন্য
১২. আয় খুকু আয়
১৩. ও রঙ্গবতী রঙ্গবতী
১৪. ও সাথী একবার এস দেখে যাও
১৫. একদিন মাটির ভিতরে হবে ঘর
১৬. এই মন তোমাকে দিলাম
১৭ নিথুয়া পাথারে নেমেছি
১৮. মায়ের একধার দুধের
১৯. একবার বিদায় দাও মা
২০. ইন্দুবালা গো
২১. বাবা বলে গেল আর
২২ আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন
২৩. এই দুনিয়া এখন তো আর
পল্লীগীতি
০১. আমার সোনা বন্ধুরে তুমি
০২. পাগল মন মনরে
০৩. আমি কি তো আপন ছিলাম
০৪. ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে
০৫. আমার কাংখের কলসি
০৬. তুমি আরেক বার আসিয়া
০৭. দোল দোলনী রাঙ্গা মাথায়
০৮. বন্ধ তিন দিন তোর বাড়িত
০৯.
ওকি গাড়িয়াল ভাই
লালন
গীতি
০১. ধন্য ধন্য বলি তারে
০২. আপন ঘরের খবর নেনা
০৩. চিরদিন পুষলাম এক
০৪. সময় গেলে সাধন হবে না
০৫. কবে সাধুর চরণ ধুলি
০৬. খাঁচার ভিতর অচিন পাখি
০৭. মিলন হবে কত দিনে
ছড়া গান
০১. এক যে ছিল ব্যাঙ
০২. আমরা সবাই রাজা
০৩. আমাদের দেশটা স্বপ্নপুরী
০৪. লাল ঝুটি কাকতুয়া
মাইজ ভান্ডারীর গান
০১. বন্দে মায়া ল্গাগাইছে
০২. বাউলা কে বানাইল রে
০৩. দেখে যারে মাইজভান্ডারে
দেশের গান
০১. জাতীয় সঙ্গীত
০২. সালাম সালাম হাজার
০৩. একতারা তুই দেশের কথা
০৪. সোনা সোনা লোকে বলে
০৫ এই পদ্মা এই মেঘনা
০৫. জন্ম আমার ধন্য হলো
লোকগীতি
০১. বলি ও ননদী আর দু মুঠো
০২. ওরে হাড় মোর জ্বলিয়া গেল
০৩. ওকি ও বন্ধু
কাজল ব্রমরারে
ভক্তিমূলক গান
(১)
তুমি
ভক্তের হও ভগবান, শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য রাম।।
হরি
নামের সুধা যেবা করে পান, পরাও তাহার মনঃস্কাম।।
শ্রীকৃষ্ণ
চৈতন্য রাম।
সত্যযুগে
তোমার নাম শ্রীহরি
ত্রেতাযুগে
রাম ধনুকধারী
দ্বাপরে
তুমি নবঘন শ্যাম
কলিতে
গৌরাঙ্গ নাম।
শ্রীকৃষ্ণ
চৈতন্য রাম।
সত্যযুগে
পুজা বিল্লদলে
ত্রেতাযুগে
পুজা দুর্বা দলে
দ্বাপরে
পুজা তুলসী দলে
কলিতে
হরেকৃষ্ণ নাম।
শ্রীকৃষ্ণ
চৈতন্য রাম।
কেউ
বলে তোমায় গৌউর হরি
তবনাম
প্রেমে যায় গড়াগড়ি
তোমার
নামের প্রভু দিতে নাই সীমা
অধমের
লওগো প্রণাম
শ্রীকৃষ্ণ
চৈতন্য রাম।
যে
জনা তোমায় যেনামে ডাকে
যেজনা
তোমায় নামে ভজে
তুমি
পুরাও তাহার মনঃস্কাম
শ্রীকৃষ্ণ
চৈতন্য রাম।
ভক্তিমূলক গান
(২)
নদীয়া
নগরে শচীমাতার ঘরে, উদয় হল নিমাই চাঁদ।।
কে
আনিল রে কোথায় ছিল রে মধুমাখা হরি নাম।।
হরি
নাম ভজ, নাম জপ, নাম করো সার।
হরি
নামে ভাসাও তরী হয়ে যাবে পার।।
হরিনামে
মাতয়ারা ...... ও ও ও সারা ব্রজধাম।
কে
আনিল রে কোথায় ছিল রে মধুমাখা হরি নাম।।
কতপাপী
তাপী তরে গেল এই হরি নামে।
মুখে
বল হরি নাম শ্রবণ করো কানে।।
হরিনামে
আছে সুধা......ও ও ও অমৃত সমান।।
কে
আনিল রে কোথায় ছিল রে মধুমাখা হরি নাম।।
বিজয়
ধীবর বলছে হরিনাম ছাড়া গতি নাই
প্রেমানন্দে
বাহু তুলে হরিবল ভাই।।
হরি
নামের জলে ডুব দিলে....ও ও ও জুড়ায় মন প্রাণ।।
কে
আনিল রে কোথায় ছিল রে মধুমাখা হরি নাম।।
নদীয়া
নগরে শচীমাতার ঘরে, উদয় হল নিমাই চাঁদ।।
কে
আনিল রে কোথায় ছিল রে মধুমাখা হরি নাম।।
ভক্তিমূলক গান
(৩)
আমার
হরি বলা পাখিরে, কৃষ্ণ বলা পাখি
কৃষ্ণ
নাম লইতে লইতে ঝরে যার আঁখিরে কৃষ্ণবলা পাখি।।
এই
পাখি আর সেই পাখি আছে মাখা মাখি
মনে
বলে এরাই ছিল বৃন্দাবনের গোপীরে।।
কৃষ্ণবলা
পাখি।।
আমার
হরি বলা পাখিরে, কৃষ্ণ বলা পাখি
সদায়
এ হৃদয়ে যারা কৃষ্ণগুণ গায়
নিত্যের
দেশে থাকে তারায় কৃষ্ণপ্রাপ্তি হয়।।
প্রেমানন্দে
ভাষে তারারে।।
এমন
মধূর কৃষ্ণ নামে, ঝরেনা দুই আঁখিরে।।
কৃষ্ণবলা
পাখি।।
আমার
হরি বলা পাখিরে, কৃষ্ণ বলা পাখি
ভক্তসঙ্গ
করলে পরে কৃষ্ণসঙ্গ হয়, ভক্তের মাঝে বিরাজ করে কৃষ্ণ শ্যামরায়
এতদিনে
বুঝলাম আমিরে।।
সাধুসঙ্গ
ছাড়া জীবের নাই কোন গতি রে।
কৃষ্ণবলা
পাখি।।
আমার
হরি বলা পাখিরে, কৃষ্ণ বলা পাখি
নিঃসঙ্গ
জীবন আমার বন্দি জেল খানায়
এত
সুন্দর মানব জনম হেলায় হেলায় যায়।।
পাগল
নারান কাঁদে সব হারায়েরে।
এত
দিনে ডাক আসিবে, পরপারের যাক আসিবে কি হইবে গতি রে।।
কৃষ্ণবলা
পাখি।।
আমার
হরি বলা পাখিরে, কৃষ্ণ বলা পাখি
ভক্তিমূলক গান
(৪)
কবে
শ্রীচৈতন্য মোরে করিবেন দয়া।।
কবে
আমি পাইব বৈষ্ণব পদ ছায়া
কবে
শ্রীচৈতন্য মোরে করিবেন দয়া।।
কবে
আমি ছাড়িব এই বিষয়াভিমান
কবে
বিষ্ণুজনে আমি করিব সম্মান।।
কবে
শ্রীচৈতন্য মোরে করিবেন দয়া।।
গলবস্ত্র
কৃতাঞ্জলী বৈষ্ণব নিকটে, দন্তে তৃন করি দাঁড়াইব নিঃকপটে।।
কাঁদিয়া
কাঁদিয়া জানাইব দুঃখগান।।
সংসার
অনল হইতে মাগীব নিস্তার, আমি মাগীব নিস্তার।
কবে
শ্রীচৈতন্য মোরে করিবেন দয়া।।
শুনিয়া
আমার দুঃখ বৈষ্ণব ঠাকুর, আমা লাগি কৃষ্ণে আবীর দিবেন প্রচুর।।
বৈষ্ণবের
আবেদনে কৃষ্ণ দয়াময় এহেন পামর প্রতি হইবেন সদয়।।
বিনদের
নিবেদন বৈষ্ণবও চরণে, কৃপা করি সঙ্গে লহ এই আকিঞ্জনে।।
কবে
শ্রীচৈতন্য মোরে করিবেন দয়া।।
কবে
আমি পাইব বৈষ্ণব পদ ছায়া
কবে
শ্রীচৈতন্য মোরে করিবেন দয়া।।
কবে
শ্রীচৈতন্য মোরে করিবেন দয়া।।
ভক্তিমূলক গান
(৫)
শচীমাতা
গো শচীমাতা................গো
তোর
গোরা যে নদা ছেড়ে মাগো নীলাচলে চলে যায়।।
ও
সে নদের গোরা নদা ছেড়ে যাবে বেঁধে রাখা তারে দায়।
তোর
গোরা যে নদা ছেড়ে মাগো নীলাচলে চলে যায়।।
কৃষ্ণপ্রেমে
ভক্তি যার মা সেকি থাকে ঘরে,
দিবানিশি
দুই নয়নে কৃষ্ণবারী ঝরে।
যার
বাঁশিতে যমুনা মা উজান বয়ে যায়।
তোর
গোরা যে নদা ছেড়ে মাগো নীলাচলে চলে যায়।।
বৃন্দাবনের
মাঠে মাঠে যে চরাত ধেনু
সে
যে রে মা গোরা মাে তোর সে যে রে সেই কানু,
কলির
জীবের উদ্ধারিতে, হরিনাম যে বিলায়।
তোর
গোরা যে নদা ছেড়ে মাগো নীলাচলে চলে যায়।।
ভক্তিমূলক গান
(৬)
ওরে
নীল যমুনার জল বলরে মোরে বল কোথায় ঘন শ্যাম।
আমার
কৃষ্ণ ঘন শ্যাম।।
ওরে
নীল যমুনার জল বলরে মোরে বল কোথায় ঘন শ্যাম।
আমি
বহু আশায় বুক বেধে যে এলাম
এলাম
ব্রজধাম......., কৃষ্ণঘন শ্যাম
ওরে
নীল যমুনার জল বলরে মোরে বল কোথায় ঘন শ্যাম।
তোর
কোন কুলে কোন বনের মাঝে আমার কানুর বেনু বাজে বেনু বাজে।।
আমি
কোথায় গেলেশুনতে পব রাধা রাধা নাম
আমার
কৃষ্ণ ঘন শ্যাম।।
ওরে
নীল যমুনার জল বলরে মোরে বল কোথায় ঘন শ্যাম।
আমি
সুধায় ব্রজের ঘরে ঘরে কৃষ্ণ কোথায় বল
কেউ
বলেনা কথা হেরি সবার চোখে জল।
বলরে
আমার শ্যামল কোথায় কোন মথুরায় কোন দ্বারকায়।
বল
যমুনা বল, বাজে বৃন্দাবনের কোন পথেতাঁর নুপুর অবিরাম।
আমার
কৃষ্ণ ঘন শ্যাম।।
ওরে
নীল যমুনার জল বলরে মোরে বল কোথায় ঘন শ্যাম।
ভক্তিমূলক গান
(৭)
দুহাত
তুলে গাওরে কৃষ্ণনাম, পুরবে তোর সকল মসঃস্কাম।।
আজি
প্রেমানন্দে বাহু তুলে নাচরে মন কৃষ্ণ বলে।।
হরে
কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে
রাম হরে রাম রা রাম হরে হরে।
কত
পাপী তাপী তরে গেলে এই হরি নামে
এ
মধুর নাম ছড়িয়ে দেব সকল গ্রামে
শহরে
গিয়েও গাইব কৃষ্ণনাম হবে সেথা বৃন্দাবন ধাম।।
আজি
প্রেমানন্দে বাহু তুলে নাচরে মন কৃষ্ণ বলে।।
কৃষ্ণ
নামে মজে ছিল গৌউর আর নিতাই,
ভক্তবৃন্দ
সবাই মিলে হরে কৃষ্ণ গায়।।
পারের
কড়ি এই মহানাম, ভজরে মন হরে কৃষ্ণ নাম।।
আজি
প্রেমানন্দে বাহু তুলে নাচরে মন কৃষ্ণ বলে।।
দুহাত
তুলে গাওরে কৃষ্ণনাম, পুরবে তোর সকল মসঃস্কাম।।
আজি
প্রেমানন্দে বাহু তুলে নাচরে মন কৃষ্ণ বলে।।
হরে
কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে
রাম হরে রাম রা রাম হরে হরে।
ভক্তিমূলক গান
(৮)
আমি
মরিয়া হইব শ্রীনন্দের নন্দন............
বনমালী
তুমি পর জনমে হইও রাধা।।
তুমি
আমারই মতন কান্দিও কান্দিও
কৃষ্ণ
কৃষ্ণ না, বদনে বলিও।
তুমি
যাইও ঐ যমুনার ঘাটে যাইও।আমার রঙটি ছিল সাদা।
বনমালী
তুমি পর জনমে হইও রাধা।।
তুমি
আমারই মতন জ্বলিও জ্বলিও
বিরহ
কুসুমও হার গলেতে পরিও।
ঐ
প্রেম না করিয়া লেম তো ভালো।
আমার
মনটা ছিল সাদা।
বনমালী
তুমি পর জনমে হইও রাধা।।
ভাবিয়া
সরজ হয় ঐ কৃষ্ণফাদ
প্রেমেরও
মায়াডোরে বান্ধিও বান্ধিও।
তুমি
বুঝিবে কী তখন নারীর কী বেদন
শ্রীরাধার
মনে কত ব্যাথা।
বনমালী
তুমি পর জনমে হইও রাধা।।
ভক্তিমূলক গান
(৯)
এই
দেহের হইয়া কান্ডারী করিও তুমি আমায় পার।
ভব
পারের কর্ণধর।।
ইহ
কালের প্রেমদাতা, পরকালের উদ্ধার কর্তা।।
তুমি
জীবের পরমও আত্মাভভ
তুমি
কান্ডারী বামার
ভব
পারের কর্ণধার।
তোমার
মনের মতন হইছে যে জন, তার তুমি দাও আলিঙ্গন।
আমি
পাপী হই অভাজন।।
গতি
নাই কি আমার।।
ভব
পারের কর্ণধার ।
এই
ধরাধামে আসি বারে বারে, তোমায় ভাল বাসিবার তরে।।
তুমি
জীবের পরমও আত্মা।।
তুমি
ভরসা আমার।
ভব
পারের কর্ণধার।।
ভক্তিমূলক গান
(১০)
ওরে
মন ওরে মন হরিনাম কর সার।।
এ
ভব সাগর হবে বালিচর, হাটিয়া হইবি পার।
ধরম
করম এ জপ এ তপ জ্ঞান যোগ যাজ্ঞ ধ্যান।
নাহি
নাহি নাহিকো কেবল উপায় গোবিন্দ নামভভ
ভকতি
শকতি যে গতি সে গতি তাহে না করিয়া মতি।
শেঘের
ছায়ায় জুড়ায় যে প্রাণ কহনা সে কোন গতি।
ওরে
মন ওরে মন হরিনাম কর সার।।
বদন
ভরিয়া ঞরি হরি বল এমনও সুলভ কবে।
ভারত
ভূমিতে মানব চনম আরকি এমন হবে
ওমন
আরকি এমন হবে।।
ওরে
মন ওরে মন হরিনাম কর সার।।
যুতক
পুরাণ প্রমাণ দেখনা নামের সমান নাই।
নামে
রতি হইল প্রেমের উদয় ( প্রেমের হরিকে পায়)।।
শ্রবনো
কৃত্তনো করো অনুক্ষন অসত প্যাঁচাল ছাড়ি
কহে
প্রেমানন্দ মানুষ জনম সকলি করোনা ভারি।।
ওরে
মন ওরে মন হরিনাম কর সার।।
ভক্তিমূলক গান
(১১)
কবে
যাব বিষয় ছাড়ি মধুর বৃন্দাবন।।
কৃষ্ণনামে
কাঁদবে কবে আমার পোড়ামন।।
কৃষ্ণনামের
নামাবলী পরব কবে গায়,
কবে
আমি প্রাণ জুড়াব গিয়ে মথুরায়।
কৃষ্ণ
আমার জীবন মরণ, কবে পাব দরশন।।
কৃষ্ণনামে
কাঁদবে কবে আমার পোড়ামন।।
কৃষ্ণ
আমার কাল সোনা, বনমালী শ্যাম,
ভুল
করেও একদিন মুখে লইনাই কৃষ্ণের নাম।
কৃষ্ণনামটি
পারের সম্বল কবে পাব দরশন।।
কৃষ্ণনামে
কাঁদবে কবে আমার পোড়ামন।।
ভক্তিমূলক গান
(১২)
ধুলি
মাখ মাখ গো বৃন্দাবনের ধুলি।।
ধুলি
নয় গো ধুলা নয় গো ভক্ত পদ রেনু।।
সেই
ধুলি অঙ্গে মাখে নন্দের ঘরের কানু।।
ধুলি
মাখ.............................ধুলি।
সংকৃত্তনের
ধুলা যদি লাগে পাপির গায়।।
নাচিতে
নাচিতে পাপী স্বর্গধামে যায়।।
ধুলি
মাখ.............................ধুলি।
সংকৃত্তনের
ধুলা যদি পড়ে গঙ্গা জলে।।
গঙ্গা
পবিত্র সর্ব শাস্ত্রে বলে।।
ধুলি
মাখ.............................ধুলি।
আমার
এমন ভাগ্য কবে হবে বৃন্দাবনে যাব।।
বৃন্দাবনের
যুগল মিলন নয়নে হেরিব।।
ধুলি
মাখ.............................ধুলি।
আমার
এমন ভাগ্য কবে হবে বৃন্দাবনে যাব।।
বৃন্দাবনের
পদধুলি অঙ্গেতে মাখিব।।
ধুলি
মাখ.............................ধুলি।
শ্রীদাম
নাচে সুদাম নাচে নাচে ব্রজবালা।
নন্দরানী
নাচে দেখ কৃষ্ণকলে লইয়া।।
ধুলি
মাখ.............................ধুলি।
ব্রজের
খেলা কদম তলা কাঁধে চড়াচড়ি।।
নামের
খেলা নাম সংর্কৃত্তন ধুলাই গড়াগড়ি।।
ধুলি
মাখ.............................ধুলি।
ভক্তিমূলক গান
(১৩)
বাঁশরিয়া
রায়..............ও বাঁশরিয়া
তুমি
যারে ডাক সুরে সে তো তোমার নয় গো সে তো তোমার নয়।।
বাঁশরিয়া
রায়....
তুমি
যে রায় চিকুন কালা প্রাণে যাহা দিয়ে জ্বালা
সেই
জ্বাল মুই কেমনে জুড়ায়।
তুমি
যে রায় চিকুন কালা প্রাণে যাহা দিয়ে জ্বালা
সেই
জ্বাল মুই কার কাছে জানায়।
বলি
হে শ্যাম তোমার কাছে, কোথা গেলে পায়।
তুমি
যারে ডাক সুরে সে তো তোমার নয় গো সে তো তোমার নয়।।
আমি
যে বিরাগিনী তোমার প্রেমে পাগলিনী
পতিতা
নাম পেয়েছি ধরায়।।
তবে
দিবানিশি কাঁদাবে আমায়।
তুমি
যারে ডাক সুরে সে তো তোমার নয় গো সে তো তোমার নয়।।
ভক্তিমূলক গান
(১৪)
হরিনাম
কৃষ্ণনাম গেয়ে যাও অবিরাম।।
এসেছ
ভবে যেতে হবে, নাম করো মন তারে পাবে।।
নিতাই
গৌউর রাধের শ্যামরে মন আমার হরে কৃষ্ণ হরে রাম।
কৃষ্ণনাম
সূর্য্যূসম মায় গভীর অন্ধকার যাহা কৃষ্ণ তাহা নাই মায়ার অধিকার।
শ্রীচৈতন্য
নিত্যানন্দ শ্রাঅদৈত সীতা, হরিগুরু বৈষ্ণব ভাগবত আর গীতা।।
এসব
মন তোমারী জন্য, এসব মন তোমারী জন্য
নিতাই
গৌউর রাধের শ্যামরে মন আমার হরে কৃষ্ণ হরে রাম।
হরিনাম
কৃষ্ণনাম গেয়ে যাও অবিরাম।।
প্রেমরসে
কৃষ্ণ ভজন হয় সহজেতে, কৃষ্ণধন ভীন্ন কী আছে এজগতে।।
ভজ
কৃষ্ণ জপ কৃষ্ণ লহ কৃষ্ণের নাম
শ্রীহরির
কৃপায় পাবে বৃন্দাবনও ধাম।
বাহুতুলে
বদন ভরে চলমন বৃন্দাবনও ধামরে মন আমার হরে কৃষ্ণ হরে রাম।
হরিনাম
কৃষ্ণনাম গেয়ে যাও অবিরাম।।
এসেছ
ভবে যেতে হবে, নাম করো মন তারে পাবে।।
নিতাই
গৌউর রাধের শ্যামরে মন আমার হরে কৃষ্ণ হরে রাম।
ভক্তিমূলক গান
(১৫)
সুন্দর
লাল যশোদা দুলাল, বৃন্দাবনও বিহারী।।
ভক্ত
ডাকিলে রহিতে পারনা।।
কি
হয় তব ও বেদেশ্বরী।।
বৃন্দাবনও
বিহারী।।
সুন্দর
লাল যশোদা দুলাল, বৃন্দাবনও বিহারী।।
একবরি
আসিয়া...... প্রভুগো হে প্রভুগো
একবার
আসিয়া দেখা দাও হরি,
জুড়াইব
তাপিত প্রাণ
বৃন্দাবনও
বিহারী।।
সুন্দর
লাল যশোদা দুলাল, বৃন্দাবনও বিহারী।।
ভক্তিমূলক গান
(১৬)
কত
সাধনার ফলে এমন মানব জনম পেলে
দুদিন
বাদে সবাই চলে যাবে, এই হান নাম তুমি গায়বে কবে।।
সংসার
মায়ায় করি অভিনয় মানুষে মানুষে শুধু পরিচয়।।
হরিনাম
ভজ নামেতে শান্তি পাবে।।
কত
সাধনার ফলে এমন মানব জনম পেলে
দুদিন
বাদে সবাই চলে যাবে, এই হান নাম তুমি গায়বে কবে।।
কি
সুখ পেলে তুমি দুনিয়ায়, দুঃখেরী আগুনে পুড়ে হলে ছায়।।
হরিনাম
ছাড়া আর কি আছে ভবে।।
কত
সাধনার ফলে এমন মানব জনম পেলে
দুদিন
বাদে সবাই চলে যাবে, এই হান নাম তুমি গায়বে কবে।।
ভক্তিমূলক গান
(১৭)
ধর
চরণ ছেড়না তুমি ধর চরণ ছেড়না।।
নিতাই
কওরে ছেড়ে যাবে না, দয়াল নিতাই কাউরে ছেড়ে যাবে না।
দৃঢ়
নিষ্ঠা করে মন ধর নিতাই চাঁদের চরণ।।
পার
হবি পার হবি তুফান, ওপারে কেউ থাকবে না।
নিতাই
কওরে ছেড়ে যাবে না, দয়াল নিতাই কাউরে ছেড়ে যাবে না।
হরিনাম
তরনী লয়ে হয়ে, ফিরছে নিতাই নেয়ে হয়ে।।
এমন
দয়াল চাঁদকে পেয়ে, ভবে এমন দয়াল চাঁদকে পেয়ে,
স্মরণ
কেন নিলে না তুমি স্মরণ কেন নিলে না।।
নিতাই
কওরে ছেড়ে যাবে না, দয়াল নিতাই কাউরে ছেড়ে যাবে না।
ভক্তিমূলক গান
(১৮)
আমি
কি দিয়ে পুজিব ভগবান তোমারে কি দিয়ে পুজিব ভগবান।।
মন্দিরে
তুমি আরতিতে তুমি পুজার ফুলে স্তুতিতে তুমি।।
ভগবান
দিয়ে ভগবানের পুজা।।
করিতে
মানি অপমান তোমারে, কি দিয়ে পুজিব ভগবান।
চন্দ্র
সূর্য্য আর গ্রহ তারা পুজা করে যত ব্রজ গোপীরা।।
বনফুল
যার পুজারী।। যোগী ৠষি করে ধ্যান।
তোমারে
কি দিয়ে পুজিব ভগবান।।
কখনো
তব রূপ দেখি নাইযে হরি আপন মন্দিরে তোমাকে গড়ি।।
হাসো
না কাঁদো বুঝিতে না পারি।।তাই কাঁদে মন প্রান।
তোমারে
কি দিয়ে পুজিব ভগবান।।
ভক্তিমূলক গান
(১৯)
গুরু
গো......... ঐ আমি গুরু কার্য্য মাথায় রেখে,
দাদারে
কি করি আর কোথায় যায়।।
রাত
পোহালে পখি বলে দেরে খায় দেরে খায়।।
এমন
পাখি কেবা পুষে, আরে খেতে চায় সকল চুষে,
তারে
কি দিয়ে যোগায়।।
আমার
বুদ্ধিগেল সাধ্য গেল।।দাদারে নাম হলোরে পেটুক সাই।
রাত
পোহালে পখি বলে দেরে খায় দেরে খায়।।
আমি
বলি ও মা তারা আর মুখেতে লও আল্লার নাম
তুমি
যাতে মুক্তি পাও।।আরে কথায় তে মন হয়না বারণ/ রতন
তুমি
যাতে মুক্তি পায়।।
দাদারে
খাব খাব খাব রব সবাই
রাত
পোহালে পখি বলে দেরে খায় দেরে খায়।।
আমি
বলি ও মা তারা আমি হলাম লাল পড়া পাখি আমার বেওয়ারা
সবুর
বুঝি নাই ও তার সবুর বুঝি নাই ও তার সবুর বুঝি নাই।
ফকির
লালন বলে পেট ভরিলে।।
কিসের
আর গুরু গোসাই।।।
রাত
পোহালে পখি বলে দেরে খায় দেরে খায়।।
ভক্তিমূলক গান
(২০)
তুমি
ভেবেছ কি মনে, এই ত্রিভুবনে
তুমি
যাহা করে গেলে কেহ জানেনা
বারে
বারে আর আসা হবে না।।
সাবধানে
চল মন হও হুসিয়ার, তোমার বেলাযে বয়ে যায় আসে অন্ধকার।।
তোমার
হিসাব করিবে সেই বিধাতা।।
তাহার
কাছে ফাঁকি ঝুটি কিছু চলে না।
এই
অমূল্য মানব দেহ সারা দিন অনেক কিছুই করি চেতনে করি আর অবচেতনে করি। অনেক পাপ কাজ করে
থাকি, অনেক অন্যায় কাজ করে থাকি।
করার
পরে মনে করি পাশের লোকটি দেখতে পেলনা বা পাড়ার কেউ দেখতে পেলনা। কিন্তু যিনি দেখার,
যিনি আমাদের সবার সুতটা ধরে রেখেছে তিনি পরম গুরু তার চোখকে ফাঁকি দেওয়া যাবেনা, তাই
বলি সব সময় সৎ পথে সৎ গুরুর হাত কেনানা এই মানব জনম একবারি আসে।
বারে
বারে আর আসা হবে না।।
বাইতে
যান না কেন ধর হাল, মন মাঝিটা তাই হেলোরে মাতাল।।
বুঝিয়ে
বল তারে যেতে হবে পারে।।
পারে
নাই বেলা তাই যাও যাও যাওরে।
নদী
ভরা ঢেউ বোঝেনা তো কেউ
কেন
তরী মিছে বাও বাও বাও রে।
ভক্তিমূলক গান
(২১)
মম
অন্তর মন্দিরে জাগো জাগো, মাধব কৃষ্ণ গোপাল।
নব
অরুন সম জাগো হৃদয়ে মম।।
সুন্দর
গীরিধারী লাল।
মাধব
কৃষ্ণ গোপাল।
মম
অন্তর মন্দিরে জাগো জাগো, মাধব কৃষ্ণ গোপাল।
নয়ন
ঘনালো ব্যথারই বাদল
জাগো
তুমি ওগো কিশোর শ্যামল।।
শ্রীরাধা
প্রীয়তম জাগো অনুপম।।
জাগো
তুমি ব্রজের রাখাল।
মম
অন্তর মন্দিরে জাগো জাগো, মাধব কৃষ্ণ গোপাল।
রাধা
মনোহারী ওগো ননীচোর
প্রাণের
দেবতা জাগো জাগো হে কিশোর।।
লয়ে
রাধা বামে হৃদি ব্রজধামে।।
জাগো
তুমি যশোদা দুলাল।
মম
অন্তর মন্দিরে জাগো জাগো, মাধব কৃষ্ণ গোপাল।
ভক্তিমূলক গান
(২২)
যদি
গৌউর না হইত কী মেনে হইত
কেমনে
ধরিতাম দে।।
শ্রীরাধার
মহিমা রস সিন্ধু সীমা,
জগতে
জানাতো কে।।
মধূর
বৃন্দে বিপিন মাধুরী,
প্রবেশ
চাতুরী সার।।
বরজ
জুবতী ভবের ভকতী,
শকতি
হিইত কার।।
গাও
গাও পূণঃ শ্রীগৌরাঙ্গের গুণ ,
সরল
করিয়া মন।।
ভেবে
দেখ ভাই ত্রিভুন মাঝে,
এমন
দয়াল নাহি কোন জন।।
গৌরাঙ্গ
বলিয়া না গেলাম গলিয়া,
কেমনে
ধরিলাম দে।
বাসুদেব
ঘোষের হিয়া না জানি পাষান দিয়া
কেমনে
গড়িয়াছে সে।।
ভক্তিমূলক গান
(২৩)
প্রভাতীসুর
রজনী
প্রভাতকালে পাখিসব ডাকে ডালে,
তুমি
কেন ঘুম ঘোরে রও হে।।
ঘুমভেঙে
উঠি বসে দুচোখের জলে ভেসে,
এস
সবে হরি গুণ গাও হে।।
রজনী.................
... রও হে।।
এ
জনম গেল বৃথা একবার ভাব কি তা,
কি
লাগি মানব জনম পাও হে।
কামিনীর
কোলে পেয়ে কেন আছ ঘুমাইয়ে।
জীবনের
হিসাব মিলাও রে।।
রজনী.................
... রও হে।।
পিতামাতা
গুরুজন প্রভাতে করো স্মরণ,
এ
দেহ চরণে শোপে দাও হে।
যত
আছে অবতার স্মরণ কর সবাকার।
সাধুগুরু
গুণগীতি গাও হে।।
রজনী.................
... রও হে।।
কর
হরিগুণ গান শীতর হইবে প্রাণ,
প্রেম
রসে সদা ডুবে রও হে।
স্মরণেতে
হবে সংগ, পুলকিত হবে অঙ্গ।
দেহ
তরী তরঙ্গে ভাসাও হে।
রজনী.................
... রও হে।।
ভজ
ভক্ত হনুমান, যার হৃদে ভক্তিমান
শ্রীরামের
জয়গান গাও হে।
ভজ
শ্রীরাধার চরণ, চল মধুর বৃন্দাবন।
প্রেমধন
তার কাছে চাও হে।।
রজনী.................
... রও হে।।
ভজ
ভজ গৌউর হরি, ভজযত ভক্ত তারি
নিত্যানন্দের
জয়গান গাও হে।
পূর্ণো
ব্রম্ম সনাতন ভজ শ্রী গরির চরণ
হরি
ভক্তের চরণে লুটাও হে।।
রজনী.................
... রও হে।।
গোলক
তারক হীরামন, অশ্বীনি গোপাললোচন
আমার
গুরুচাঁদের জয়গান গাও হে।
রাধা
প্রেমধন দিতে এল যারা হরি সাথে
তাদের
ভাবেতে মেতে রও হে।
রজনী.................
... রও হে।।
চরিত্র
পবিত্র রেখে সদা সত্য বল মূখে
সুখে
দুখে সমভাবে রও হে।
চরিত্র
পবিত্র রেখে সদা সত্য বল মূখে
সুখে
দুখে সমভাবে রও হে।
রজনী.................
... রও হে।।
ভক্তিমূলক গান
(২৪)
কলিতে
হরিনাম জীবেরই পরিনাম,
একবার
বলরে মধুমাখা হরিনাম বলরে।।
নামের
গুনে জগা মাধা।।।
উদ্ধারিয়া
গেলরে।
একবার
বলরে মধুমাখা হরিনাম বলরে।।
নাম
জপিলে দিনে রাতে, গুরুর চরণ ধরিয়া।
তারলাগেনা
পারের কড়ি পাড়ি দিতে দরিয়া।।
নামের
গুনে খোঁড়া হাঁটে।।।
বোবায়
কথা বলেরে।
একবার
বলরে মধুমাখা হরিনাম বলরে।।
নাম
জপিয়া পশুপাখি, করে কত গুনগান।
নামে
আছে গয়াকাঁশি নামে আছে বৃন্দাবন।।
নামের
গুনে লোহা ভাসে।।।
শোলা
ডুবে জলেরে।
একবার
বলরে মধুমাখা হরিনাম বলরে।।
মানুষ
হইয়া বেহুঁশ হইলে, পাবেনা অমূল্য ধন।
নামের
গুনে পাপী তাপী পেল যে সেউ রতন।।
পরিতোষ
কয় হরি বলে।।।
আপন
দেশে চলরে।
একবার
বলরে মধুমাখা হরিনাম বলরে।।
ভক্তিমূলক গান
(২৫)
সর্ব্ত
মঙ্গল রাধে বিনোদিনী রায়,
বৃন্দাবনের
বংশীধারী ঠাকুরও কানাই।
একলা
রাধে জল ভরিতে যমুনাতে যায়,
পেছন
থেকে কৃষ্ণ তখন আড়ে আড়ে চাই।
জল
ভর জল ভর রাধে ও গোয়ালের ঝি,
কলস
আমার পূ্র্ণ্ করো রাধে বিনোদী।
কাল
মানিক হাত পেতেছে চাঁদ ধরিতে চাই,
বামুন
কি আর হাত বাড়ালে চাঁদের দেখা পায়।
কাল
কাল করিসনা লো ও গোয়ালের ঝি,
আমায়
বিধাতা করেছে কাল আমি করবো কি।
এক
কাল যমুনার জল সর্ব্প্রানী খায়,
আরে
এক কাল আমি কৃষ্ণ সকল রাধে চায়।
এই
কথা শুনিয়া কানাই বাঁশি হাতে নিল,
সর্প্
হয়ে কালো বাশি রাধাকে দংশিল।
ডান
পায়ে দংশিল রাধের বাম পায়ে ধরিল,
মরলাম
মরলাম বলে রাধা জমিনে পড়িল।
মরবেনা
মরবেনা রাধা মন্ত্র ভাল জানি,
দুই
এক খানা ঝাড়া দিয়ে বিষ করিব পানি।
আমারও
অঙ্গের বিষ যে ঝাড়িতে পারে,
সোনার
এই যৌবন খানি দান করিব তারে।
এই
কথা শুনিয়া কানাই বিষ ঝাড়িয়া দিল,
ছেড়ে
ছুড়ে রাধে তখন গৃহবাসে গেল।
গৃহবাসে
যেয়ে রাধে আড়ে বিছায় চুল,
কদম
তলায় থাইক্কা কানাই ফিক্কা মারে ফুল।
বিয়া
নাকি করো কানাই বিয়া নাকি করো,
পরেরও
রমনী দেখে জালায় জ্বলে মরো।
বিয়া
তো করিবো রাধে বিয়াতো করিবো,
তোমার
মত সুন্দর রাধে কোথায় গেলে পাব।
বামার
মত সুন্দর রাধে যদি পেতে চাও,
গলাতে
কলসি বেধে যমুনাতে যাও।
কোথায়
পাব হাড় কলসি কোথায় পাব দড়ি,
তুমি
হও যমুনা রাধে আমি ডুইবা মরি।।
ভক্তিমূলক গান
(২৬)
হরি
দিনতো গেল সন্ধ্যা হলো পার করো আমারে
তুমি
পারের কর্তা জেনে বার্তা তাই ডাকি তোমারে।
আমি
আগে এসে ঘাটি রইলাম বসে
যারা
পাছে এল আগে গেলি আমি রইলাম পড়ে
হরি
দিনতো গেল সন্ধ্যা হলো পার করো আমারে
শুনি
কড়ি নাই যার, তুমি তারে করো পার
আমি
দীন ভিখারী নেইকো কড়ি দেখ থলি ঝেড়ে
হরি
দিনতো গেল সন্ধ্যা হলো পার করো আমারে
আমার
পারের সম্বল, তোমর নামটি কেবল
কাঙ্গাল
ফকির চাঁদ কেঁদে আকুল পাথারে সাঁতারে
হরি
দিনতো গেল সন্ধ্যা হলো পার করো আমারে
ভক্তিমূলক গান
(২৭)
গোপালকে
দড়ি বেঁধে রাখিস নে, ছেড়ে দে মা জননী।।
শাখন
চুরি করুক গোপাল, চুরি করে খাক ননী।
গোপালকে
দড়ি বেঁধে রাখিস নে, ছেড়ে দে মা জননী।।
অন্তরা
ও
মা যশোদা ও মা যোশদা
ওর
ছেলেবেলা চলে গেলে আরতো পাবিনা
দইয়ের
হাঁড়ি ভেঙ্গে ফেলে খেরুক এখন নীলমনি
গোপালকে
দড়ি বেঁধে রাখিস নে, ছেড়ে দে মা জননী।।
সঞ্চারী
দেখ
মুখে চোখে দই মেখে তাকিয়ে আছে কিভাবে
কিছু
যেন জানেনা সে শান্ত কত স্বভাবে।
দ্বিতীয় অন্তরা
ও
মা যশোদা ও মা যোশদা
ওই
দুষ্টুটাকে সাজা দিয়ে লুকিয়ে কাঁদিস না
করবি
কি রে মা বলে সে ডাকে যদি িএখনি
গোপালকে
দড়ি বেঁধে রাখিস নে, ছেড়ে দে মা জননী।।
ভক্তিমূলক গান
(২৮)
আমি
বৃন্দাবনের পথে পথে গাইব রাধা নাম
ঘুচে
যাবে মনের কালি পুর্ণ হবে মনসকাম
বৃন্দাবনের
পথে পথে গাইব রাধা নাম।।
জীবনটাকে
কাটিয়ে দিলাম বাজে কাজের ভিড়ে
অন্তিমে
সব অসার ভেবে এলাম তোমার দ্বারে
ভিক্ষাপাত্র
লয়ে হাতে ভিক্ষারী সাজিলাম
বৃন্দাবনের
পথে পথে গাইব রাধা নাম।।
তোমার কৃপা পেলে আমার পুর্ণ হবে জনম
সার্থক হবে ভবে আসা ধন্য
হবে মরণ
জনম মরণ চাইনাগো আর পদে
শরণ নিলাম
বৃন্দাবনের
পথে পথে গাইব রাধা নাম।।
ভক্তিমূলক গান
(২9)
নদীয়া
নগরে আজ কি আনন্দ হল রে
গৌর
এল রে ভাই নিতাই এল রে(২)
গুরুদেবের
বীজ মনত্র হরে কৃষ্ণ হরে রাম
এই
নামে আছে রস অমৃত সমান
অধম
পাপী জগাই মাধাই হরিনামে তরে গেল রে
গৌর
এল রে ভাই নিতাই এল রে।
মধু
মাখা এই হরিনাম ভজ মন প্রাণে
মত্ত
থাকো সদায় হরি গুণ গানে
পাপী
দস্যু রত্নাকর নামে বল্মিকী মুনি হল রে
গৌর
এল রে ভাই নিতাই এল রে।
বিজয়
ধীবর বলছে এই নাম লিখে রাখ অঙ্গে
মরণ
কালে এই হরিনাম যাবে তোমার সঙ্গ্
উত্তম
বলে এই হরিনাম লিখে রাখ অঙ্গে
মরণ
কালে এই হরিনাম যাবে তোমার সঙ্গ্
গৌর
এল রে ভাই নিতাই এল রে।
ভক্তিমূলক গান
(৩০)
পথে
পথে ফিরি উদাসিনী
হরিনামের
ভিক্ষা মাগিয়া গো
গিরিধারী
তোমার লাগিয়া
রাজরানী
মীরা ভিখারিনী
গিরিধারী
তোমার লাগিয়া।
লোকে
বলে মীরা পাগলিনী
রানা
বখে মীরা কলঙ্কিনী
মীরা
কাঁদে তোমার লাগিয়া গো
গিরিধারী
তোমার লাগিয়া।
এসো
এসো গিরিধারী
এসো
এসো তুমি বংশীধারী
মীরা
কাঁদে তোমার লাগিয়া গো
গিরীধারী
তোমার লাগিয়া।
ভক্তিমূলক গান
(৩১)
হরিনামে
কি আনন্দ ডুবলে জানা যায়
নামে
যে ডুবেছে সেই জেনেছে
অন্যের
জানা বড় দায়।
অন্তরা
নামে
ডুবেছিল গৌর আর নিতাই
আর
একভাবে ডুবেছিল জগাই আর মাধাই
তারা
হরি বলে বাহু তুলে ধুলে গড়াগড়ি যায়
হরিনামে
কি আনন্দ ডুবলে জানা যায়।
সঞ্চারী
নামে
ডুবেছিলেন স্বরূপ সনাতন
আর
যেমন ডুবে আছে আমার নদে বাসীগণ
অন্তরা
নামে
ডুবেছিলেন স্বরূপ সনাতন
আর
যেমন ডুবে আছে আমার নদে বাসীগণ
তারা
বিষয় আশয় তেজ্য করে দ্বারে দ্বারে নাম বিলায়
হরিনামে
কি আনন্দ ডুবলে জানা যায়।
ভক্তিমূলক গান
(৩২)
মায়ের
এক ফোটা দুধের ৠন
শোধ
হবে না কোন দিন
জন্ম-জন্মান্তরে
করিলে সাধনা
দয়াবতী
দরদিনি মা ২
পিতা
আনন্দে মাতিয়া, সাগরে দেয় ফেলিয়া
চলে
গেল বিধিয়া, ফিরে এল না
আমায়
ধরিয়া জঠরে, কত কষ্ট করে ২
দশমাস
দশদিন সে মা
পেল
যে যন্ত্রনা।
সন্তান
ভুমিষ্ঠ হলে পরে, মা নেয় তারে কোলে তুলে
কষ্টের
কথা মায়ের মনে থাকেনা
আবার
একটি সন্তানের দায়, কত মা যে প্রাণ হারায় ২
সে
মাকে কেউ সেবা করলে না।
ভক্তিমূলক গান
(৩৩)
আমি
বৃন্দাবনের পথে পথে গাইব রাধা নাম (২)
ঘুচে
যাবে মনের কালী পূর্ণ হবে মন্সকাম
আমি
বৃন্দাবনের পথে পথে গাইব রাধা নাম (২)
জীবনটাকে
কাটিয়ে দিলাম কাজের ভিড়ে
অন্তিমে
সব অসার ভেবে এলাম তোমার দ্বারে
ভিক্ষা
পাত্র লয়ে হাতে ভিখারী সাজিলাম
বৃন্দাবনের
পথে পথে গাইব রাধা নাম (২)
তোমার
কৃপা পেলে আমার পূরনো হবে জনম
সার্থক হবে ভবে আসা ধন্য হবে মরণ
জনম
মরণ চাইনাগো আর পদে শরণ নিলাম
বৃন্দাবনের
পথে পথে গাইব রাধা নাম (২)
ভক্তিমূলক গান
(৩৪)
জয়
রাধে রাধে কৃষ্ণ কৃষ্ণ গোবিন্দ গোবিন্দ বলরে (২)
রাধে
গোবিন্দ গোবিন্দ, গোবিন্দ গোবিন্দ ২ ২
দয়ানিধিনাম
জপ রে
জয়
রাধে রাধে কৃষ্ণ কৃষ্ণ গোবিন্দ গোবিন্দ বলরে (২)
ছাড়রে
মন কপটও চাতুরী বদনো ভরে বল হরি
হরিনামে
পরম ব্রম্ম জীবের মুখ্য ধরমো
অধরমো
কুকরমো ছাড়রে
জয়
রাধে রাধে কৃষ্ণ কৃষ্ণ গোবিন্দ গোবিন্দ বলরে (২)
তেজোরে
মন ভবেরও আশা অজপা নামে রাখরে দিশা
গুরু
গৌরাঙ্গ বদনে বদনে
নয়নে
নীরে ভাসরে
জয়
রাধে রাধে কৃষ্ণ কৃষ্ণ গোবিন্দ গোবিন্দ বলরে (২)
ভক্তিমুলক গান ৩৫
পথে পথে ফিরি উদাসিনী
হরিনামের ভিক্ষা মাগিয়া গো
গিরিধারী তোমারও লাগিয়া
রাজরানী মীরা ভিক্ষারিনী
গিরিধারী তোমারও লাগিয়া।
লোকে বলে মীরা পাগলিনী
রাণা বলে মীরা কলঙ্কিনী।।
মীরা কাঁদে তোমারও লাগিয়া গো
গিরিধারী তোমারও লাগিয়া।
এসো এসো গিরীধারী
এসো এসো তুমি বংশীধারী।।
মীরা কাঁদে তোমারও লাগিয়া গো
গিরিধারী তোমারও লাগিয়া।
এ জীবনে মীরা অভাগিনী
শ্যাম বিরহে চির বিরহিনী।।
রাখ তব অঙ্গে মিশাইয়া গো
গিরিধারী তোমারও লাগিয়া।
ভক্তিমুলক গান ৩৬
বনমালী তুমি পর জনমে হইও রাধা।।
আমার মত তুমি কাঁদিও কাঁদিও
কৃষ্ণ কৃষ্ণ নাম বদনে বলিও।।
তুমি যাইও যাইও যমুনার ঘাটে
না মানিও কোন বাধা
বনমালী তুমি পর জনমে হইও রাধা।।
আমার মত তুমি জ্বলিও জ্বলিও
বিরহ কুসুমের হার গলেতে পরিও
তুমি যাইও যাইও যমুনার ঘাটে
না মানি ননদীর বাধা
বনমালী তুমি পর জনমে হইও রাধা।।
আমার মত তুমি মরিও মরিও
শ্যাম কলঙ্কের হার গলেতে পরিও
তুমি পড়িও তখন আমারই মতন
বুকে লইয়া দুঃখের চিতা
আমার মত তুমি জ্বলিও জ্বলিও
ভক্তিমুলক গান ৩৭
ভজ
গৌরাঙ্গ, কহ গৌরাঙ্গ লহ গৌরাঙ্গের নাম রে।।
যেই
জনা গৌরাঙ্গ ভজে সেই হয় আমার প্রাণ রে।।
ভজ
গৌরাঙ্গ, কহ গৌরাঙ্গ লহ গৌরাঙ্গের নাম রে।।
গৌরাঙ্গ
ভজিলে, গৌরাঙ্গ জপিলে হয়
দুঃখেরও
অবসান রে।।
গৌরাঙ্গ
বলিয়া, দুবাহু তুলিয়া, নাচিয়া নাচিয়া বেড়াও রে।।
ভজ
গৌরাঙ্গ, কহ গৌরাঙ্গ লহ গৌরাঙ্গের নাম রে।।
যেই
জনা গৌরাঙ্গ ভজে সেই হয় আমার প্রাণ রে।।
ভজ
গৌরাঙ্গ, কহ গৌরাঙ্গ লহ গৌরাঙ্গের নাম রে।।
ভক্তিমুলক গান ৩৮
গুরুনা
ভজিলাম সন্ধ্যা সকালে মন প্রান দিয়ারে।।
ফুরাইয়া
গেল মোর সাধের জনম, আপন কর্ম দোষে রে,
প্রানের
বান্ধব রে, দাও দেখা দয়া করে।।
আসিতে
হবে মোর বারে বারে এইনা ভবের মাঝারে।।
আর
না হবে মোর মানব জনম, পাষানে ভাঙ্গিলে মাথারে।
প্রানের
বান্ধব রে, দাও দেখা দয়া করে।।
যাহার
লাগিয়া খাটিয়া মরিনু সেই তো ভুলিয়া যাবে রে।।
প্রাণ
পাখি মোর পলকে উড়িবে ছাড়িয়া সকল মায়ারে।।
প্রানের
বান্ধব রে, দাও দেখা দয়া করে।।
গুরুনা
ভজিলাম সন্ধ্যা সকালে মন প্রান দিয়ারে।।
ফুরাইয়া
গেল মোর সাধের জনম, আপন কর্ম দোষে রে,
প্রানের
বান্ধব রে, দাও দেখা দয়া করে।।
ভক্তিমুলক গান ৩৯
আমি
গুরু না ভজিলাম, কী ভুল করিলাম।।
ভস্মে
ঢালিলাম ঘি।
মানুষের
করিলাম কী,
আমি
মানুষ হইয়া জন্ম লভিয়া মানুষের করিলাম কী,
আমার
বাল্যকাল গেল হাসিতে খেলিতে, যৌবন কাল গেল রসে।।
আমি
সু-রস ফেলিয়া, কু-রস খাইলাম
কলসি
করিলাম খালি, মানুষের করিলাম কী।
আমার
এ কেশ পাঁকিবে, দন্ত নাড়বে।
সম্বল
হবে মোর লাঠি।।
তখন
পুত্র পরিজন সকলি বলিবে এ জঞ্জাল মরিলেই বাঁচি।
মানুষের
করিলাম কী,
আমি
মানুষ হইয়া জন্ম লভিয়া মানুষের করিলাম কী।
ভক্তিমুলক গান ৪০
ওরে ছেড়ে দিলে সোনার গৌর
ক্ষেপা ছেড়ে দিলে সোনার গৌর
আমরা আর পাব না না না, আর পাব না।
তোমায় হৃদ মাঝারে রাখব ছেড়ে দেব না।।
ভুবনো মোহনো গোরা
কোন মনিজনার মনোহরা।।
ওরে রাধার প্রেমে মাতয়ারা
ধুলঅই যায় ভাই গোড়াগড়ি
যেতে চাইলে যেতে দেব না না না
যেতে দেব না।
তোমায় হৃদয় মাঝে রাখব ছেড়ে দেব না।
যাব ব্রজের কুলে কুলে
আমরা মাখবো পায়ে রাঙা ধুলি
ওরে পাগল মন
যাব ব্রজের কুলে কুলে
আমরা মাখবো পায়ে রাঙা ধুলি
চলে
গেলে চলে গেলে যেতে দেব না না না
যেতে দেব না।
তোমায় হৃদয় মাঝে রাখব ছেড়ে দেব না।
যে
ডাকে চাঁদ গৌর বলে
ওগো
ভয় কিগো তার ব্রজের কুলে।।
ওরে
দ্বিজ ভূষন চাঁদ বলে
চরণ
ছেড়ে দেব না না না
যেতে দেব না।
তোমায় হৃদয় মাঝে রাখব ছেড়ে দেব না।
ভক্তিমুলক গান ৪১
ভ্রমর কইয়ো গিয়া, শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে অঙ্গ যায় চলিয়ারে
ভ্রমর কইয়ো গিয়া।।
ভ্রমর রে, কইয়ো কইয়ো কইয়োরে ভ্রমর
কৃষ্ণরে বুঝাইয়াআমি রাধা মইরা যাইমু কৃষ্ণ হারা হইয়ারে
।
ভ্রমর কইয়ো গিয়া
ভ্রমর কইয়ো গিয়া, শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে অঙ্গ যায় চলিয়ারে
ভ্রমর কইয়ো গিয়া।।
ভ্রমর রে , আগে যদি জানতামরে ভ্রমর যাইবারে ছাড়িয়া
মাথার কেশও দুইভাগ করিরে রাখিতাম বান্দিয়ারে
ভ্রমর কেইয়ো গিয়া
ভ্রমর কইয়ো গিয়া, শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে অঙ্গ যায় চলিয়ারে
ভ্রমর কইয়ো গিয়া।।
ভ্রমর রে, ভাইরাধারমন বলে শোনরে কালিয়া
নিব্বা ছিল মনের আগুন
কে দিল জ্বালা্ইয়ারে ভ্রমর কইয়ো গিয়া
ভ্রমর কইয়ো গিয়া, শ্রীকৃষ্ণ বিচ্ছেদের অনলে অঙ্গ যায় চলিয়ারে
ভ্রমর কইয়ো গিয়া।।
ভক্তিমুলক গান ৪২
আছে
গৌর নিতাই নদীয়াতে
কৃষ্ণ
আছে মথুরাতে ২
কালি
ঘাটে আছে কালি ঢাকেশ্বরী ঢাকায়
আয়গো
তোরা দেখবি যদি আয়গো চলে আয়।
যাও
দেখো তারকেশ্বর বসে আছে মহেশ্বর ২
লাখে
লাখে লোক চলেছে স্বপ্নের আদেশের আশায়
আয়গো
তোরা দেখবি যদি আয়গো চলে আয়।
দেহ
সাধনার স্থান তাতে থাকে ভগবান ২
কায়
মনো বাক্যে ডাকলে তাকে ঘরে বসে পাওয়া যায়।
আয়গো
তোরা দেখবি যদি আয়গো চলে আয়।
ভক্তিমুলক গান ৪৩
আর
কত কাল গিরিধারী লাল
তুমি
আড়ালে আড়ালে রবে।।
নয়নের
জল ঝরে অবিরল দরশন দেবেগো কবে
আড়ালে
আড়ালে রবে।।
তোমার
চরণে প্রভু এই তিনমন
পূজার
কুসুম সম করি নিবেদন।।
আকুলও
তোমার লাগি আমারও পরান
তবে
কিগো ঘরে রবে
আড়ালে
আড়ালে রবে।।
দেখা
যদি নাহিদেবে ওগো দয়াময়
তবে
কেন দিলে আশা ভরিয়া হৃদয়।।
মীরার
পরানে তোমারি আশা
আশা
কিগো বিফলে যাবে
আড়ালে
আড়ালে রবে।।
ভক্তিমুলক গান ৪৪
কোথা
আছ গুরুদেব আমি জানিনা
তোমার
করুণা ছাড়া কিছু চাই না।।
তুমি
কি শুনছো বসে আমার এই গান
আমি
যে চেয়েছি শুধু তোমার সম্মান ।।
তোমার
দয়ার দান যেন ভুলি না
তোমার
করুণা ছাড়া কিছু চাই না।।
আজ
তুমি গুরুদেব যেখানেই থাক
তোমার
চরণতলে ঠাঁই দিয়ে রাখ ।।
নাওগো
প্রণাম আমার গুরুদক্ষিণা,
গুরুদক্ষিণা,
গুরুদক্ষিণা
তোমার
করুণা ছাড়া কিছু চাই না।।
ভক্তিমুলক গান ৪৫
এই পৃথিবীর পান্থশালায় কেহ আসে আর কেহ চলে যায় (২)
কান্না হাসির বন্যা মিলায়,নিথর নিরবতায় হায়
অন্তরা
কত আশা নিয়ে আসি এই ভবে,সব কিছু রেখে চলে যেতে হবে
কেহ কারো পানে ফিরিয়া না চায় হায়
সঞ্চারী
কেহ
কাঁদে হারায়ে বুকেরি রতন
কেউ
বরে হায় হায় মলিন বদন (২)
অন্তরা
সুন্দর
সৃষ্টি বিধির এই বিধান, কালে স্রোতে যখন মারবে টান(২)
দুদিনের
খেলাঘর ভাঙ্গিয়া যে যায় হায়।।
ভক্তিমুলক গান ৪৬
দেখেছি
রুপ সাগরে মনের মানুষ কাঁচা সোনা
তারে
ধরি ধরি মনে করি ধরতে গেলে আর মেলে না।
বহুদিন
ভাব তরঙ্গে, ভেসেছি কতই রঙ্গে,
সুজনের
সঙ্গে হবে দেখা শোনা।
তারে
আমার আমার মনে করি
আমার
হয়ে আর হইল না।।
সে
মানুষ চেয়ে চেয়ে, ফিরিতছি পাগল হয়ে।
মরমে
জ্বলছে আগুন আর নেভেনা
আমায়
বলে বলক লোকে মন্দ
বিরহে
তার প্রাণ বাঁচে না।।
পথিক
কেই ভেবো না রে, ডুবে যাও রুপ সাগরে।
নিরলে
বসে করো যোগসাধনা
একবার
ধরতে পেলে মনের মানুষ
ছেড়ে
যেতে আর দেব না।।
ভক্তিমুলক গান ৪৭
ভক্তের
ডাকে ভগবান কাঁদে দেখরে নয়ন মেলে
সময়
থাকতে ডাকরে মনয়া কৃষ্ণ কৃষ্ণ বলে।
যৌবন
জোয়ারে ভাসলি রে মন ডুবলি শুধু কামে
যে
কথায় আবদ্ধ ছিলি ভুলে গেলি ধরাধামে
জগাই
মাধাই কেঁদেছিল কৃষ্ণ কৃষ্ণ বলে
দেখরে
নয়ন মেলে।
কালী
বলে আমি পাপী প্রভুর চরণ পেলাম না
আমার
মত ভুল তোরা এই জীবনে করিস না
ওই
নামে কেঁদে ভাসনা শুধু নয়ন জলে
সময়
থাকতে ডাকরে মনয়া কৃষ্ণ কৃষ্ণ বলে।
সময়
থাকতে ডাকরে মনয়া কৃষ্ণ কৃষ্ণ বলে।
ভক্তিমুলক গান ৪৮
যদি
ভুল কিছু করি ওহে দয়াল হরি
আধাঁরে
নিও পার করিয়া (২)
অন্তরা ১
সকালে
আমার কাজের পালা,
দুপুরে
পেটে ক্ষুধার জ্বালা
রাত্রিতে
চোখে আমার ঘুমের নিশা…… ২)
আমি
কিভাবে কখন ডাকিগো তোমায়দিও আমারে বলিয়া (ও দয়াল)
আধাঁরে
নিও পার করিয়া (২)
অন্তরা ২
কি
ফুলে তোমার পূজা হবে, দীক্ষা আমায় কে যে দেবে
ধর্ম
কথা কভু শুনিনি কানে……..
আমি
এই ভবে এসে মায়ার বসে থাকি সদায় তবু ডুবিয়া ( ও দয়াল)
আধাঁরে
নিও পার করিয়া (২)
অন্তরা ৩
জীবন
যুদ্ধে গেলাম হেরে, কি নিয়ে যাব ঘরে ফিরে
জবাব
দেব কি তোমার কাছে…… (২)
আমি
সব হারায়ে পথের কাঙাল বেলা এল ঔ ফুরিয়া, (ও দয়াল)
আধাঁরে
নিও পার করিয়া (২)
ভক্তিমুলক গান
৪৯
যারে
মাধাই জেনে আয় নদিয়ায় কি মধুর মধুর ধ্বনি শোনা যায় (২)
তুই
না গেলে আমি যাব রে………ভাই (২)
ভাইরে
শূন্য গৃহে রব কার আসায়।
অন্তরা ১
নদিয়াতে
এল দুটি ভাই,
তারা
নাম ধরেছে পতিত পাবন গৌর আর নিতাই।
তারা
রামাবলী মাথায় বেঁরে ভাই, তারা হরিনাম গেয়ে নেচে যায়।।
অন্তরা ২
কাল
শুনেছি এই হরির নাম কর্ণ ফেটে যায়,
আজ
কেন সে হরির নামে পাষান গলে যায়।।
আমার
মন হরে নিল রে ভাই
ঘরে
থাকা হলো দায়
অন্তরা ৩
জগাই
বলে ওরে মাধাই ভাই,
হরি
নামের তরী ভাষিয়া বেড়ায়।
জয়
রাধার নামে বাদাম দিয়ারে ভাই
তরী
চলছে নিতাইর প্রেম বাজার।।
ভক্তিমুলক গান
৫০
আমি
কৃষ্ণ বলিয়া ত্যাজিব পরান যমুনারই নীরে
কালা
কাল বলে গিয়াছে চলে সই,সেই কালের শেষ নাহিরে।।
অন্তরা ১
বাদল
ঝরা পাগল আঁখি মানে না মানা,
দিগাঞ্চলে
মিশেছে সই দৃষ্টির সীমানা ।
করি
যার লাগি আনাগোনা সে এলো নারে ফিরে।।
অন্তরা ২
মনের
বনে ঘরে কোনে জ্বলে এক আগুন,
কাল
বৈশাখীর ঝরা পাতায় কাঁদিয়ে ফাগুন।
সইরে
মলয় পবন জ্বালায় দ্বিগুন কালা বিরহীরে।।
অন্তরা ৩
শেষের
দাবি রইলো সইরে ভুলিস না পাছে,
শ্যাম
বিরহে শ্যাম দুলালী প্রাণ ত্যাজিয়াছে।
তোরা
এই খবর দিস বন্ধুর কাছে আমার মাথার কিরে।।
অন্তরা ৪
কোন্
বিধাতা গড়িয়াছে এই ভালোবাসা,
পাগল
বিজয় বলে এ শুধু আগুনের বাসা।
সইরে
যার ঘটে নাই এ দুর্দশা সে বুঝবে তার কীরে।।
ভক্তিমুলক গান
৫০
ওরে
মন যাবি যদি মধুর বৃন্দাবন
যেথায়
কানু রাখাল সনে খেলা করে গোচারণে (৩)
লুকোচুরি
খেলার ছলে হারিয়ে মধুসুদন।
যাবি
যদি মধুর বৃন্দাবন
অন্তরা ১
শ্রীদাম
সুদাম ভাই বলরাম খেলে গোষ্ট খেলা……
কংস
বধ লাগি কৃষ্ণ করেছে লীলা
বৃন্দাবনে
কৃষ্ণ কালা গোপী লয়ে করে লীলা (২)
যমুনার
ঘাট কদমতলা দেখিতে মধুর মিলন।
যাবি
যদি মধুর বৃন্দাবন
অন্তরা ২
কোথা
গেলি নন্দ দুলাল ওরে গোপাল আমার……..
মা
যশোদা ডাকছে তোরে কোথা গেলি বাছা,
হাতে
ননীমাখন খেয়ে যারে ও বাছাধন (২)
শ্রীবৃন্দাবন
মদন মোহন শ্রীরাধিকার প্রাণধন।
যাবি
যদি মধুর বৃন্দাবন
যেথায়
কানু রাখাল সনে খেলা করে গোচারণে (৩)
লুকোচুরি
খেলার ছলে হারিয়ে মধুসুদন।
যাবি
যদি মধুর বৃন্দাবন (৩)
দেহতত্ত গান (১)
হাতির
দাঁতের পালঙ্ক তোর রইবে পড়ে খালি,
যাবি
যেদিন শ্মশানঘাটে বাঁশের দোলায় চড়ে।।
সঙ্গে
দেবে একমুঠু তিল গোটিা কয়েক কড়ি
দুই
চোখে তুলসী পাতা সঙ্গে মাটি হাড়ি।।
পরনের
ঐ দামী কাপড় নেবে সেদিন কেড়ে।।
যাবি
যেদিন শ্মশানঘাটে বাঁশের দোলায় চড়ে।।
যে
ছেলেটি প্রথম তোকে ডেকেছিল পিতা
শ্মশান
ঘাটে সেই ছেলেই তো জ্বালবেরে তোর চিতা।।
পুড়বে
রে তোর সাধের দেহ কর্ম রবে পড়ে।।
যাবি
যেদিন শ্মশানঘাটে বাঁশের দোলায় চড়ে।।
দেহতত্ত গান (২)
যেদিন
পাখি যাবে উড়ে।।ছেড়ে সাধের খাঁচা
সেদিন
তোরা ভাল করে বাঁধিস বাঁশের মাঁচা।।
আপন
স্বজন শোকের ছায়ায় করবে কাঁন্নাকাটি,
কেউবা
আবার ঘটা করে জ্বালবে রে ধুপকাঠি।।
মা
জননী বলবে কেঁদে।। আয়রে কোলে বাছা
সেদিন
তোরা ভাল করে বাঁধিস বাঁশের মাঁচা।।
খই
ছিটিয়ে ভলবে হরি, সাঁজবো বিয়ের সাজে,
আসব
না আর ফিরে কোন দিন তোমাদেরী মাঝে।।
মুখে
আগুন দিয়ে ছেলে।। পরবে ধুতির কাছা।
সেদিন
তোরা ভাল করে বাঁধিস বাঁশের মাঁচা।।
দেহতত্ত গান (৩)
ও
তোর মাটির দেহ মাটি হবে পুড়ে হবে ছাই।।
এ
দেহ পঁচা দেহ গরব কিসের ভাই।।
খড়
মাটিতে কুমার যেমন ঠাকুরও গোড়ে,
রক্তে
মাংসে দয়াল তেমন মানুষও গড়ে।।
রক্ত
শুধু পোকায় ভরা কুরে কুরে খাবে তাই।
এ
দেহ পঁচা দেহ গরব কিসের ভাই।।
শ্মশান
হবে শেষ বিছানা রব ঘুমায়ে,
খাঁচা
পড়ে রবে পাখি যাবে পলায়ে।।
প্রাণ
পাখি পালালে দেহ আর দেবেনা সাড়া,
রাতে
মরলে সকাল হলে বলবে বাসি মরা।।
আপন
স্বজন বলবে সবােই এ মরা ছুতে নাই।
এ
দেহ পঁচা দেহ গরব কিসের ভাই।।
দেহতত্ত গান (৪)
প্রণাম
নিও সকল মাতা।। আমার মাতা নাই
তোমাদেরী
মাঝেই যেন মাকে খুঁজে পাই, আমার মাকে খুঁজে পাই।
দোষ
দেবনা কোন দিনও গর্বধারীনীর
সারা
জীবন পাইনী খঁজে ভাল বাসার নীড়।।
কলঙ্ক
আর অপমানে ফেলে গেল তাই
তোমাদেরী
মাঝেই যেন মাকে খুঁজে পাই, আমার মাকে খুঁজে পাই।
জানি
তুমি আসবে নাগো সামনে কোনদিন
পারলে
দেখা দিও মাগো স্বপনে একদিন।।
তোমার
পায়ে রাখব মাথা কিছুই নাহি চাই
আমার
মাকে খুঁজে পাই
তোমাদেরী
মাঝেই যেন মাকে খুঁজে পাই, আমার মাকে খুঁজে পাই।
দেহতত্ত গান (৫)
গর্ভে
ধরেছে মা পেয়ে কত যন্ত্রনা,।।
ধরেছে
মা কত শক্তিবল, এই দুণিয়ায়
তবু
কেন মায়ের চোখে জল।।
দশমাস
দশদিন রেখেছিল মা জঠরে,প্রসবিল মা আমায় কত কষ্ট করে।।
হায়গো
আমার মাজজনী দেখালো এই বিশ্বভূমি।।
কাটা
গাছে ধরাইল ফল,এই দুণিয়ায়
তবু
কেন মায়ের চোখে জল।।
কেউবা করে মায়ের পূজা কেউবা করে অনাচার,তবু
ভালবাসা দিয়ে গড়েছে মা এ সংসারে
স্নেহ মায়া মমতা কত যে দিয়েছে মা।।
মনে পড়ে মায়েরেই আচঁল, এই
দুণিয়ায়
তবু
কেন মায়ের চোখে জল।।
শিশুকালে
মায়ের কোলে করিতাম খেলা, বেথাভরা জীবনে জুড়াইতাম জ্বালা।।
বিজয়
ধীবর বলে ভাই মা ছাড়া কিছুই নাই।।
মা
যে আমারই সম্বল, এই দুণিয়ায়
তবু
কেন মায়ের চোখে জল।।
গর্ভে
ধরেছে মা পেয়ে কত যন্ত্রনা,।।
ধরেছে
মা কত শক্তিবল, এই দুণিয়ায়
তবু
কেন মায়ের চোখে জল।।
দেহতত্ত গান (৬)
ওপার
হতে যারা সাথে এসেছিল তারা, চলে গেল যে যার আপন দেশে।
আমি
বসে আছি একা ঘাটে।
হুতাশে
কাঁদিছে প্রাণ বসে একাকী, দিবাকর বসিল ঐ পাটে।।
আমি
বসে আছি একা ঘাটে।
অচেনা
পথিক পথ পাইনা খুঁজে, কোথা হতে এসেছে পাইনা বুঝে।।
ক্লান্ত
রবির ছায়ায়, ধরনী ধুলির মায়ায়,
ব্যাকুল
প্রহর মোর কাটে।
আমি
বসে আছি একা ঘাটে।
আশার
দোলনায় কত তোল খেয়েছি, হাসির মঞ্চে কত গান গেয়েছি।।
যাদের
নিয়ে সদায় খেলেছি খেলা, মিলায়ে ছিনু কত সুখের মেলা।
কি
হতে কি হয়ে গেল, কে কোথা চলে গেল
সাঁড়া
না পায় মাথা খুঁটে
আমি
বসে আছি একা ঘাটে।
যাদের
স্মরণে দেশ হইত আকুল,
কোথায়
সে কবিগুরু রাজেন্দ্র নকুল,
কালের
খেয়ায়, কে কোথায় চলে গেল হায়
কোথা
সে প্রাণের কবি নিশি ও বিজয়।
ছাড়িয়া
কবির মেলা, আকাশে ভাষাল ভেলা,
রসিক
চলিয়া গেল বটে।
আমি
বসে আছি একা ঘাটে।
জীবন
খাতার পাতায় কি যে লিখি ছাই,
কিছু
তার মনে আছে কিছু মনে নাই,
উল্টিয়া
পাতায় দেখি সবই যেন ভুল,
আমি
যেন কার খেরারও পুতুল
বেতনার
ঝুলি কাঁধে, দীন অনাদি বসে কাঁন্দে
তরী
বুঝি আসিল ঐ ছুটে।।
আমি
বসে আছি একা ঘাটে।
ওপার
হতে যারা সাথে এসেছিল তারা, চলে গেল যে যার আপন দেশে।
আমি
বসে আছি একা ঘাটে।
হুতাশে
কাঁদিছে প্রাণ বসে একাকীন, দিবাকর বসিল ঐ পাটে।।
আমি
বসে আছি একা ঘাটে।
দেহতত্ত গান (০৭)
কে
আর বাজাবে বাঁশি
শ্যাম
ব্রজে নাই গো।।
মন
দুঃখে কাঁদে একা কমলিনী রাই গো।
শ্যাম
ব্রজে নাই গো।।
কে
আর বাজাবে বাঁশি,শ্যাম ব্রজে নাই গো।।
ফুলের
বাসরখানি, সাজিয়ে রাই বিনোদিনী
সারা
নিশি জাগিয়া কাঁদে, শ্যাম আসে নাই গো।
শ্যাম
ব্রজে নাই গো।।
শ্যামের
বিরহে কাঁদে কাঁদে শুকসারি,
শ্যামের
বিরহে কাঁদে কাঁদে ব্রজ নারি।
বাজেনা
শ্যামের বেনু, গোঠে আর চরেনা ধেনু।।
ব্রজ
হতে চলে গেছে।।
প্রাণের
কানাই গো।
শ্যাম
ব্রজে নাই গো।।
দেহতত্ত গান (০৮)
দে
দে পাল তুলে দে মাঝি হেলা করিস না।।
ছেড়ে
দে নৌকা মাঝি যাব মদিনা,
একবার
ছেড়ে দে নৌকা মাঝি যাব মদিনা।।
দুনিয়ায়
নবী এল মা আমেনার ঘরে
হাসিলে
হাজার মানিক কাঁদিলে মুক্তা ঝরে।।
ও
দযাল মুর্শিদ যার সখা তার কিসের ভাবনা।।
একবার
ছেড়ে দে নৌকা মাঝি যাব মদিনা।।
আমার
হৃদয় মাঝে কাবা নয়নে মাদনা।
ও
নুরের রৌশনীতে দুনিয়া গেছে ভরে
সে
নুরের বাতি জ্বলে মদিনার ঘরে ঘরে।।
ও
দযাল মুর্শিদ যার সখা তার কিসের ভাবনা।।
একবার
ছেড়ে দে নৌকা মাঝি যাব মদিনা।।
আমার
হৃদয় মাঝে কাবা নয়নে মাদনা।
দে
দে পাল তুলে দে মাঝি হেলা করিস না।।
ছেড়ে
দে নৌকা মাঝি যাব মদিনা,
একবার
ছেড়ে দে নৌকা মাঝি যাব মদিনা।।
দেহতত্ত গান (০৯)
আমার
পোষা পাখি উড়ে যাবে সজনী একদিন ভাবিনাই মনে।।
খেলত
পাখি সোনালী খাঁচায় বসে রুপালি আড়ায় কত কি বলিত আমায়
স্ফটিকের
বাটি ভরে খাবার দিতাম থরে থরে রে
নিঠুর
পাখি খেত আনমনে।।
জংলা
পাখি করলো সরবনাস, এখন শুধুই হাই হুতাশ কোথায় করি তার তালাশ
কে
এমন দরদী আছে বলে দিবে আমার কাছে
পাখি
এবার গেছে কোন বনে।।
আগে
যদি জানতাম পাখির মন সে করবে রে এমন তারে দিতাম এ মন
বনের
পাখি বনে গেল আমার বুকে দিয়ে বিষম শেল রে
আর
কি ফিরে পাব জীবনে।।
পাখির
মায়ায় পড়ে কত লোক, পেল আমার মত শোক সদা জল ভরা দু চোখ
অসীম
গগনের পাখি তারে আপন বলে কেন ডাকি রে
পাগল
বিজয় কান্দে বসে নির্জনে।।
দেহতত্ত গান (১০)
এই
পৃথিবী যেমনি আছে তেমনি ঠিক রবে
সুন্দর
এই পৃথিবী ছেড়ে একদি চলে যেতে হবে
ও
সেই নগদ তলব তাগিদ পত্র নেমে আসবে জবে
সুন্দর
এই পৃথিবী ছেড়ে একদি চলে যেতে হবে
মহাঘুমে
আমার যখন বুজিবে দুচোখ
পাড়া
পড়শি প্রতিবেশী পাবে কিছু শোক
শেষে
আমি যে এই পৃথিবীর লোক ভুলে যাবে সবে
সুন্দর
এই পৃথিবী ছেড়ে একদি চলে যেতে হবে
হোকনা
কেন যত বড় রাজা জমিদার
পাকা
বাড়ি চুড়ি গাড়ি ঘড়ি ট্রেন্জিষ্টার
তখ
থাকবেনা আর কোন অধিকার বিষয় ওই ভবে
সুন্দর
এই পৃথিবী ছেড়ে একদি চলে যেতে হবে
চন্দ্র
সূর্য্য গ্রহ তারা আকাশ বাতাস জল
যেমন
আছে তেমনি সবি রবে অবিকল
মাত্র
আমি আর রইবো না কেবল জন পূর্ণ ভবে
সুন্দর
এই পৃথিবী ছেড়ে একদি চলে যেতে হবে
শব্দ
স্পর্শ রূপ রস গন্ধ বন্ধ হলে যেন
এই
পৃথিবী অস্থির তব রইবে না আর হেন
পাগল
বিজয় বলে সেই দিন যেন এসে পড়ে কবে
সুন্দর
এই পৃথিবী ছেড়ে একদি চলে যেতে হবে
দেহতত্ত গান (১১)
মাবনকুলে কেন জনম দিয়ে গুরু আমায় ভবে পাঠালে, জনম গেল
বিফলে।।
আমার না আশায় তো ভাল ছিল, এসে জনম বৃথায় গেল গেলরে।।
রইলাম কামিনীর মায়াতে ভুলে, জনম গেল বিফলে।
বহু জনম করিয়া ভ্রমন আমার না হইল স্মরন, শুধু মায়ারই কারণ।
আমার এ জনম বিফলে গেল, কৃষ্ণ ভজন না হইল রে।
আমার এ দুঃখ যাবে মরিলে, জনম গেল বিফলে।।
ভাই বন্ধু পুত্র পরিজন তারা কেউ নয় রে আপন, ভেবেদেখলি
নারে মন।।
যারে ভাবিলে ভাবনার শান্তি, কেটে যাবে মনের ভ্রান্তি গো।
আমি সেই ভাবনা ভাবি নাই কোন কালে, জনম গেল বিফলে।
সাধু গুরুর চরণ ধৌতজল, জানি সর্ব তীর্থের ফল, আমি না করলাম
সম্বল।
দিনে দিনে দিন ফুরালো গুরু আমার উপায় কি বল।
বিজয় কান্দে বসে নিরলে, জনম গেল বিফলে।
দেহতত্ত গান (১২)
যে বিয়ে হলে পরে কেউ আর আসেনা ফি্রে
পড়ে থাকে শ্বশুর বাড়িতে/শ্মশান ঘাটেতে
সখি তোরা শুনে রাখ গুনা দিন বয়ে যাক
সবাই আসিস আমার বিয়েতে।
এ বিয়ের সাজন ললাটে চন্দন
ঘি মাখাবে সারা গায়েতে
হরি হরি লজ্জা করবি ফুল শজ্জা
আগুনে ঘেরা বাসর ঘরেতে
সখি তোরা শুনে রাখ গুনা দিন বয়ে যাক
সবাই আসিস আমার বিয়েতে।
শেষ হলে বাসি বিয়ে আমারে যতনও করে
তুলে দিবি কাঁচা বাশের দোলাতে
হরি হরি লজ্জা করবি ফুল শজ্জা
আগুনে ঘেরা বাসর ঘরেতে
সখি তোরা শুনে রাখ গুনা দিন বয়ে যাক
সবাই আসিস আমার বিয়েতে।
পরিক্ষিতেরি আশ সখি তোরা শুনে যাস
যেদিন যাব শ্বশুর বাড়িতে
তোদের কাছে নিবেদন, রইল সবার নিমন্ত্রণ
হরি নাম দিবি আমার কর্নেতে
সখি তোরা শুনে রাখ গুনা দিন বয়ে যাক
সবাই আসিস আমার বিয়েতে।
দেহতত্ত গান (১৩)
আমার
সাধ না মিটিল আশা পুরিলো
সকলি
ফুরায়ে যায় মা ২
জনমের
সাধ ডাকিগো মা তোরে,
কোলে
তুলে নিতে আয় মা
সকলি
ফুরায়ে যায় মা ২
পৃথিবীর
কেউ ভালতো বাসেনা
এ
পৃথিবী ভাল বাসিতে জানেনা
যেথা
আছে শুধু ভাল বাসাবাসি
সেথা
যেতে মন চাই মা।
সকলি
ফুরায়ে যায় মা ২
বড়
দাগা পেয়ে বাসনা তেজেছি
বড়
জ্বালা পেয়ে কামনা ভুলেছি ২
অনেক কেঁদেছি কাঁদিতে পারিনা ২
বুক
ফেটে ভেঙ্গে যায় মা
দেহতত্ত গান (১৪)
এখনো
সে বৃন্দাবনে বাশিঁ বাজে রে (২)
কালার
বাশিঁ শুনে বনে বনে, ময়ুর নাচে রে।
এখনো
সে বৃন্দাবনে বাশিঁ বাজে রে
হরে
কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ
কৃষ্ণ
কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে
রাম হরে রাম
রাম
রাম হরে হরে।।
এখনো
সে গাভীগুলি, গোচারণে ছড়ায় ধুলি (২)
সখা
সনে কুলাকুলি, রাখাল রাজে রে।।
এখনো
সেই রাধারানী, বাশিঁর সুরে পাগলিনী (২)
অষ্টসখির
শিরোমনী, নব সাজে রে।।
এখনো
সে বৃন্দাবনে বাশিঁ বাজে রে
এখনো
সেই ধেনুগুলি, গোচারণে উড়াই ধুলি
সব
রাখালে হুলোহুলি, নব সাজে রে।
এখনো
সে বৃন্দাবনে বাশিঁ বাজে রে
আশ
ছিল মনে মনে, যাব আমি বৃন্দাবনে (২)
ভবা
পাগলা রই বাঁধনে, কোন সাধনায় রে।।
এখনো
সে বৃন্দাবনে বাশিঁ বাজে রে
আজও
সেই নীল যমুনায়, জল আনিতে যায় ললনায় (২)
কৃষ্ণ
আসে সেই ছলনায়, কদম তলে রে।।
এখনো
সে বৃন্দাবনে বাশিঁ বাজে রে
দেহতত্ত গান (১৫)
ছেলে
আমার মস্ত মানুষ মস্ত অফিসার
মস্ত
ফ্ল্যাটে যায়না দেখা এপার ওপার ২
নানান
রকম জিনিস আর আসবাব দামী দামী
সবচেয়ে
কম দামী ছিলাম একমাত্র আমি
ছেলের
আমার, আমার প্রতি অঘাত সম্ভ্রম
আমার
ঠিকানা তাই বৃদ্ধাশ্রম।
আমার
ব্যবহারের সেই আলমারী আর আয়না
ওসব
নাকি বেশ পুরনো ফ্ল্যাটে নাখা যায়না ২
ওর
বাবার ছবি ঘড়ি ছড়ি বিদেয় হলো তাড়াতাড়ি
ছেড়ে
দিল কাকে খেল পোষা বুড়ো ময়না
স্বামী
স্ত্রী আর অ্যালসেশিয়ান জায়গা বড়ই কম
আমার
ঠিকানা তাই বৃদ্ধাশ্রম।
নিজের
হাতে ভাত খেতে পারতোনা খোকা
বলতাম
আমি নাথকলেরে কি করবি বোকা?
ঠোঁট
ফুলিয়ে কাঁদতো খোকা আমার কথা শুনে
খোকা
বুঝি ারি কাঁদেনা নেই বুঝি আর মনে
ছোট
বেলায় স্বপ্ন দেখে উঠত খোকা কেঁদে
দুহাত
দিয়ে বুকের মাঝে রেখে দিতাম বেঁধে
দুহাত
আজো খোঁজে ভুলে যায় যে একদম
আমার
ঠিকানা তাই বৃদ্ধাশ্রম।
দেহতত্ত গান (১৬)
তোমরা
কুঞ্জ সাজাও গো
আজ
আমার প্রাণনাথ আসিতে পারে ২
মনে
চায় প্রাণে চায় দিলে চায় যারে
তোমরা
কুঞ্জ সাজাও গো
বসন্ত
সময়ে কোকিল ডাকে কুহু স্বরে
যৌবনে
বসন্ত এ মন থাকতে চায়না ঘরে ২
তোমরা
কুঞ্জ সাজাও গো
আসিলে
আসিতে পারে ভরসা অন্তরে
করিমে
কয় পাইলে কি আর ছাইড়া দিতাম তারে ২
তোমরা
কুঞ্জ সাজাও গো
আতর
গোলাপ চুয়া চন্দন ছিটাইয়া দাও ঘরে
সাজাও
ফুলের বিছানা পবিত্র অন্তরে ২
তোমরা
কুঞ্জ সাজাও গো
আজ
আমার প্রাণনাথ আসিতে পারে
দেহতত্ত গান (১৭)
ছল
ছল নয়নে হাঁসি মাখা বদনে,
আনন্দ
কাননে মন ভ্রম অনিবার (২)
হরিবল
হরিবল মনরে আমার(২)
অন্তরা -১
কেউ
তো কারো নয়….. এ কথাটি সত্য
বুঝেও
বোঝেনা মন তুমি যে অনিত্য(২)
ওই
দেখ তোমার বন্ধু , তরিতেছে ভব সিন্ধু(২)
এক
বিন্দু আশা তুমি করিও না আর
হরিবল
হরিবল মনরে আমার(২)
অন্তরা -২
গতি
নাই,গতি নাই হরিনাম ছাড়া
কন্ঠ
ভরিয়া গাও হয়ে আত্মহারা(২)
ওই
দেখো শ্মশানে কিবা নিশি দিনে (২)
জ্বলিতেছে
মানবের যত অহংকার
হরিবল
হরিবল মনরে আমার(২)
অন্তরা -৩
আর
কত কাল রবে এই ধরা ধামে
মজলি
না রে মধু হরি নামে(২)
ভবা
পাগলা কহে প্রাণ থাকিতে দেহে (২)
হরিনাম
ভরে দাও বিষয় সংসার
হরিবল
হরিবল মনরে আমার(২)
দেহতত্ত গান (১৮)
ভোলা মন ও ও ও ও
মন , মনরে মন আমার
ও দুটি মাংস পিন্ড লন্ড ভন্ড
করিল এই সোনার দেশ
তিন ইঞ্চি নদীতে পড়ে ,
সাড়ে তিন হাত নৌকা শেষ।
সেই নদীর মাঝখানে ভাই তিন কোনা এক চর,
কামিনী বাঘিনী নাচে চরের ও উপর ।
জীবের যাওয়া আসা নদীর ভিতর,
স্বর্গ নরক দুঃখ ক্লেশ ।
সেই নদীটির চৌদিকে ভাই ভয়ঙ্কর জঙ্গল,
তারই মাঝে পাতা আছে বাঘ মারা এক কল ।
যত লোভী কামি যায় রসাতল,
দেখে নদীর পরিবেশ ।
কেউ জানেনা সেই নদীটি গভীর যে কত,
ভ্রমা , বিষ্ণু , মহেশ্বর তার জানে না তত্ত্ব ।
ঢুবাইতে স্বর্গ মত্ত ,
লাগে নদীর এক নিমেষে ।
সেই নদীতে আসে রে ভাই মাসে মাসে ভাণ,
রসিক যারা চিনে তারা করিতেছে স্নান ।
গুরু অসীম না জানিয়া সন্ধান,
ধরল বাবার ভাবাবেশ ।
তিন ইঞ্চি নদীতে পড়ে ,
সাড়ে তিন হাত নৌকা শেষ।
শ্যামা সঙ্গীত
১
মায়ের
পায়ের জবা হয়ে উঠনা ফুটে মন
আমার
মায়ের পায়ের জবা হয়ে উঠনা ফুটে মন
তার
গন্ধ না থাক যা আছে যা আছে
সে
নয় ভূয়াভরণ।
মায়ের
পায়ের জবা হয়ে উঠনা ফুটে মন
জানি
জুঁই মালতি হাই কত গন্ধ যে ছড়ায়,
তবু
ঘরের ফেলে পরের কাছে নিজেরে বিলায়
ওরে
তোর মত যে নেইকো তাদের মায়ে পোয়ে আলাপন।।
মায়ের
পায়ের জবা হয়ে উঠনা ফুটে মন
আমার
তাইতো লাগে ভয়, প্রলোভনের ফাঁদে পড়ে হই যেন না ক্ষয়।
ওরে
যেন ভুলিস না, তোর দয়াময়ী মা,
তার
রক্তমাখা কালোরূপে ঘোচায় কালিমা,
ওমন
তাই বলি আয় ওই রাঙ্গা পায় করি আত্মসমর্পণ।।
মায়ের
পায়ের জবা হয়ে উঠনা ফুটে মন।
শ্যামা সঙ্গীত
২
চাই
না মাগো রাজা হতে।।
রাজা
হবার সাধ নাই মাগো
পাই
যেন মা দুবেলা খেতে।।
চাই
না মাগো রাজা হতে।।
আমার
মাটির ঘরে বাঁশের খুঁটি মা
পারি
যেন তাতে খড় জোগাতে।।
আমার
মাটির ঘর যে সোনার ঘর মা।।
যদি
দালানেতে বাস হয় মাগো
পারবনা
আর মা বলিতে।।
চাই
না মাগো রাজা হতে।।
যদি
বাড়িতে অতিথি আসে মা
না
হয় যেন মুখ লকাতে।।
ঘরে
কাঁসার থালা কাঁসার বাটি মা
পারি
যেন দুটো খেতে দিতে।
চাই
না মাগো রাজা হতে।।
তোর
মা (সংসার ধর্ম বড় ধর্ম মা
তাই
পারিনা ছেড়ে যেতে।।
কেবল
রামপ্রসাদের এই বাসনা মাগো।।
পায়
যেন ঠাঁই ওই পদেতে।
চাই
না মাগো রাজা হতে।।
শ্যামা সঙ্গীত
৩
শ্যামা
মা কি আমার কালোরে।।
লোকে
বলে কালী কালো
আমার
মনতো বলেনা কালো রে
শ্যামা
মা কি আমার কালোরে।
কালো
রুপে দিগম্বরী
হৃদপদ্ম
করে মোর আলোরে
শ্যামা
কখনো শ্বেত কখনো পীত, কখনো নীললহিত রে
মায়ের
সে ভাব কেমন বুঝিতে না পারি
ভাবিতে
জনম গেল রে
শ্যামা
মা কি আমার কালোরে।।
শ্যামা
কখনো পুরুষ কখন প্রকৃতি, কখনো সুনাকার রে,
মায়ের
সেভাব ভাবিয় কমলাকান্ত সহজে পাগল হলোরে,
শ্যামা
মা কি আমার কালোরে।।
রবীন্দ্রসঙ্গীত
১
অলি
বার বার ফিরে যায়,বার বার ফিরে আসে
তবে
তো কুল বিকাশে
অলি
বার বার ফিরে যায়,বার বার ফিরে আসে।
কলি
ফুটিতে চাহে ফোটেনা মরে লাজে মরে ত্রাসে
অলি
বার বার ফিরে যায়,বার বার ফিরে আসে।
ভুলি
মান অপমান দাও মনো প্রাণ, নিশিদিন্ও রহে পাশে
অলি
বার বার ফিরে যায়,বার বার ফিরে আসে।
ওগো
আশা ছেড়ে তবু আশারেখে দাও হৃদয় রতন আশে।।
ফিরে
এসো ফিরে এসো মন মোদিত ফুল বাসে।।
আজি
বিরহ রজনী ফুল্ল কুসুমও, শিশির শলিলে ভাসে
অলি
বার বার ফিরে যায়,বার বার ফিরে আসে।
রবীন্দ্রসঙ্গীত
২
চোখের
আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে।।
অন্তরে
আজ দেখব যখন আলোক নাহিরে।।
ধরায় যখন দাও না ধরা হৃদয় থখন পাগল তোমায় হারা
এখন
তোমার আপন আলোয় তোমায় চাহিরে।
চোখের
আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে।।
তোমায়
নিয়ে খেলে ছিলেম খেলার ঘরেতে,
খেলার
পুতুল ভেঙ্গে গেছে প্রলয় ঝড়েতে।।
থাক
তবে সেই কেবল খেলা, হোকনা এখন গানের মেলা।।
তারের
বীনা ভাঙ্গল হৃদয় বীনায় গাহিরে।
চোখের
আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে।।
রবীন্দ্রসঙ্গীত
৩
আমার
হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে দেখতে আমি পাইনি
তোমায়
দেখতে আমি পাইনি।
বাহির
পানে চোখ মেলেছি বাহির পানে, তোমার হৃদয় পানে চাইনি।
আমার
হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে দেখতে আমি পাইনি
তোমায়
দেখতে আমি পাইনি।
আমার
সকল ভালবাসা ,সকল আঘাত সকল আশায়।
তুমি
ছিলে আমার কাছে, তুমি ছিলে আমি তোমার কাছে যায়নি
তোমায়
দেখতে আমি পাইনি।
তুমি
মোর আনন্দ হয়ে ছিলে আমার খেলায়।।
আনন্দে
তাই ভুলে ছিলেম।।কেটেছে দিন হেলায়।
গোপন
রহি গভীর প্রাণে আমার দুঃখ সুখের গানে সুর দিয়েছ তুমি
আমি
তোমার গানতো গায়নি
আমার
হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে দেখতে আমি পাইনি
তোমায়
দেখতে আমি পাইনি।
রবীন্দ্রসঙ্গীত
৪
আমার
বেলা যে যায় সাঁজ বেলাতে তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে।।
একতারাতে
একি তারে গানের বেদন বইতে নারে
তোমার
সাথে বারে বারে হার মেনেছি এই খেলাতে
তোমার
সুরে সুরে সুর মেলাতে।।
আমার
এতার বাঁধা গাছের সুরে ঐ বাঁসিযে বাজে দুরে।।
গানের
লিলা সেখে নারে যোগদিতে কি সবাই পারে।।
বিশ্ব
হৃদয় পারাবারে রাগরাগিনীর যার খেলাতে
তোমার
সুরে সুরে সুর মেলাতে।।
রবীন্দ্রসঙ্গীত
৫
ভেঙ্গে
মোর ঘরের চাবি নিয়ে যোবি কে আমারে, ও বন্ধু আমার।
নাপেয়ে
তোমর দেখা একা একা দিন যে আমার কাটে না রে।।
বুঝি
গো রাত পোহালো, বুঝি রবির আলো আভাসে দেখা দিল গগণ পারে।
সম্মুখে
ওই হেরি পথ, তোমার কি রথ পৌঁছবে না মোর দুয়ারে।।
ভেঙ্গে
মোর ঘরের চাবি নিয়ে যোবি কে আমারে, ও বন্ধু আমার
আকাশের
যত তারা, চেয়ে রয় নিমেষারা, বসে রয় রাত প্রভাতের পথের ধারে।
তোমারী
দেখা পেলে সকল ফেলে ডুববে আলোক পারাবারে।।
ভেঙ্গে
মোর ঘরের চাবি নিয়ে যোবি কে আমারে, ও বন্ধু আমার
প্রভাতের
পথিক সবে এল কি কলরবে, গেল কি গান গেয়ে সব সারে সারে।
বুঝিবা
ফুল ফুটেছে চাঁদ উঠেছে অরুণবীনার তারে তারে।।
ভেঙ্গে
মোর ঘরের চাবি নিয়ে যোবি কে আমারে, ও বন্ধু আমার
রবীন্দ্রসঙ্গীত
৬
যদি
তোর ডাক শুনে কেউ না আসে
তবে
একলা চল রে,
একলা
চল, একলা চল, একলা চল, একলা চলরে
যদি
তোর ডাক শুনে কেউ না আসে
যদি
কেউ কথা না কয়
ওরে
ওরে ও অভাগা, কেউ কথা না কয়
যদি
সবাই থাকে মুখ ফিরিয়ে সবাই করে ভয়
তবে
পরান খুলে......
ও
তুই মুখ ফুটে তোর মনের কথা
একলা
বল রে।
যদি
সবাই ফিরে যায়
ওরে
ওরে ও অভাগা, সবাই ফিরে যায়
যদি
গহন পথে যাবার কালে কেউ ফিরে না চায়
তবে
মনের কাঁটা.....
ওতুই
রক্তমাখা চরণতলে একলা দল রে।
যদি
কেউ আলো না ধরে
ওরে
ওরে ওঅভাগা, আলো না ধরে
যদি
ঝড় বাদলো আঁধার রাতে দুয়ার দেয় ঘরে
তবে
বজ্রানলে......
বুকের
পাঁজর জ্বালিয়ে নিয়ে একলা জ্বলরে।
রবীন্দ্রসঙ্গীত
৭
আজি
ঝর ঝর বাদল মূখরও দিনে
জানিনে,
জানিনে
কিছুতে
যে কেন মন লাগে না।।
এই
চঞ্চল সজল পবন বেগে
উদ্ভ্রান্ত
মেঘে
মন
চায় মন চায়
ঐ
বলাকার পথখানি নিতে চিনে।।
মেঘমল্লারে
সারা দিন মান
বাজে
ঝরনার গান।
মন
হারাবার আজি বেলা
পথ
ভুলিবার খেলা
মন
চায় মন চায়
হৃদয়
জড়াতে কারো চির ৠণে
আজি
ঝর ঝর বাদল মূখরও দিনে
জানিনে,
জানিনে
কিছুতে
যে কেন মন লাগে না।।
রবীন্দ্রসঙ্গীত
৮
আমার
সকল দুখের প্রদীপ
জ্বেলে
দিবস গেলে করব নিবেদন
আমার
ব্যাথার পূজা হয়নি সমাপন।।
যখন
বেলা শেষের ছায়ায়,পাখিরা যায় আপন কুলায় মাঝে
সন্ধ্যা
পূজার ঘন্টা যখন বাজে
তখন
আপন শেষ শিখাটি জ্বালবে এ জীবন।।
আমার
ব্যাথার পূজা হয়নি সমাপন।।
সঞ্চারী
অনেক
দিনের অনেক কথা ব্যকুলতা বাধা বেদন ডোরে
মনের
মাঝে উঠেছে ভোরে
অন্তরা
যখন
পূজার হোমানলে উঠবে জ্বলে একে একে তাঁরা
আকাশ
পানে ছুটবে বাঁধন হারা।
অস্ত
রবির ছবির সাথে মিলবে আয়োজন।।
আমার
ব্যাথার পূজা হয়নি সমাপন।।
রবীন্দ্রসঙ্গীত
৮
মেঘর
কোলে রোদ হেসেছে
বাদল
গেছে টুটি। আহা হাহা হা
আজ
আমাদের ছুটি ও ভাই আজ আমাদের ছুটি।
আহা
হাহা হা
কী
করি আচ ভেবে না পায়
পথ
হারিয়ে কোন বনে যায়
কোন
মাঠে যে ছুটে বেড়ায় সকল ছেলে জুটি
আহা
হাহা হা।।
কেয়া
পাতার নৌকো গড়ে সাজিয়ে দেব ফুলে
তালদিঘিতে
ভাসিয়ে দেব চলবে দুলে দুলে
রাখাল
ছেলের সঙ্গে ধেনু চরাব আজ বাজিয়ে বেনু
মাখব
গায়ে ফুলের রেনু চাঁপার বনে লুটি।
আহা
হাহা হা।।
নজরুল সঙ্গীত
১
লাইলি
তোমার এসেছে ফিরিয়া
মজনু
গো আঁখি খোল।
প্রিয়তম
এতদিন বিরহে নিশি বুঝি ভোর হলো।।
মজনু
গো আঁখি খোল।
মজনু
তোমার কাঁদন শুনিয়া মরু নদী পর্বতে
বন্দিনী
আজ ভেঙ্গেছে পিঞ্জর বাহির হয়েছে পথে
আজি
দখিনা বাতাস বহে অনুকূল।
ফুটেছে
গোলাপ নার্গিস ফুল
ওগো
বুলবুল ফুটন্ত সেই
গুল
বাগিচায় দোলো।।
মজনু
গো আঁখি খোল।
বনের
হরিণ হরিনী কাঁদনী পথ দেখায়েছে মোরে
হুরী
ও পরীরা ঝুরিয়া ঝুরিয়া চাঁদের প্রদীপ ধরে
আমার
নয়নে নয়ন রাখিয়া
কি
বলিতে চাও হে পরাণ পিয়া।
নাম
ধরে ডাকো ডাকো মোরে স্বামী
ভোলো
অভিমান ভোলো।।
মজনু
গো আঁখি খোল।
নজরুল সঙ্গীত
২
ব্ম্য়
নহে গো ভালোবাস, শুধু ভালোবাস মোর গান।
বনের
পাখিরে কে চিনে রাখে, গান হলে অবসান
ভালোবাস
মোর গান।
চাদেরে
কে চায় জোসনা সবাই যাচে
গীত
শেষে বীনা পড়ে থাকে ধুলি মাঝে
তুমি
বুঝিবে না, ২
আলো
দিতে কত পোড়ে
কত
প্রদীপের প্রাণ
ভালোবাস
মোর গান।
যে
কাটা লতার আঁখিজল
ফুল
হয়ে উঠে ফুটে
ফুল
নিয়ে তার দিয়েছ কি কিছু শুন্য পত্র পুটে
ফুল
হয়ে উঠে ফুটে
সবাই
তৃষ্ণা মিটায় নদীর জলে
কি
তৃষা জাগে সে নদীর হিয়াতলে
বেদনার
মহাসাগরের কাছে করো করো সন্ধান
ভালোবাস
মোর গান।
নজরুল সঙ্গীত
৩
খেলিছো
এ বিশ্ব লয়ে বিরাট ও শিশু আনমনে ২
প্রলয়
সৃষ্টি তব পুতুল খেলা
নিরজনে
প্রভু নিরজনে।
শূন্যে
মহা আকাশে, তুমি মগ্ন লীলা বিলাসে ২
ভাঙ্গিছ
গড়িছ নীতি ক্ষনে ক্ষনে
সঞ্চারী
তারকা
রবি শশী খেলনা তব, হে উদাসী
পড়িয়া
আচে রাঙা পায়ের কাছে রাশি রাশি।
অন্তরা
নিত্য
হে উদার, সুখে দুখে অবিকার ২
হাসিছ
খেলিছ তুমি আপন মনে
নিরজনে
প্রভু নিরজনে।
ভাটিয়ালী গান ১
নোঙর
ছাড়িয়া নায়ের দেরে দে মাঝি ভাই
বাদাম
উড়া্ইয়া নায়ের দেরে দে মাঝি ভাই
গাঙ্গে
আয়সাছে দেখ বান।।
হাল
ধরিয়া বইস মাঝি বইঠা লইয়া হাতে।।
দৈরা
পাড়ি দিব ভয়কি আছে তাতে রে মাঝি ভাই।।
হোকনা
আকাশ মেঘে কাল কিন্র বুদুর
বইঠার
ঘায়ে মেঘের পাহাড় কইরা দেব চুররে মাঝি ভাই।।
আল্লার
নামের তরী আমার রাসুল নামের গোড়া
মা
ফাতেমা নাইয়ের বাদাম মাস্তুলিতে উড়ারে মাঝি ভাই।।
ভাটিয়ালী গান ২
কল
কল ছল ছল নদী করে টল মল।।
ঢেউ
ভাঙ্গে ঝড় তুফানেতে
নাও
বাইও না মাঝি ভিষন দইরাতে।।
গগনে
গগনে হু করিয়া ছুটে মেঘ, শন শন বায়ু বয় চৌদিকে।।
মাঝি
নিমেষে গুটাইও পাল, সামলে ধরিও হাল
সাথে
সাথে দিও পাড়ি নৌঘাটে, ওরে নাও....
বদর
বদর বলি কিনারে কিনারে চলি
ভাটি
গাঙ্গে ভাটি গান গাইও.. মাঝিরে।।
থাকিলে
জোয়ার ভারি লগি মাইরো তাড়া তাড়ি
বেলা
বেলি ঘাটে ফিরা আইও।।
চাহিয়
চাহিয়া থাকি পন্থের পানে তালাসে
দুরু
দুরু কাঁপে হিয়া নৈরাশে
আমায়
কুলে রাইখা বারে বার না যাইও গাঙ্গেতে আর
ধরে
ধরে নিও তরী িএই ঘাটে
নাও
বাইও না মাঝি ভিষন দৈরাতে।
ভাটিয়ালী গান ৩
ও
নদীরে ..........................
সর্বনাশা
পদ্মা নদী তোর কাছে সুধায়
বল
আমারে তোর কি রে আর কুল কিনারা নাই।।
পারের
আশায় তাড়া তাড়ি সকাল বেলা ধরলাম পাড়ি।।
আমার
দিন যে গেল সন্ধ্যা হলো,
তবু
না কুল পাই, কুল কিনারা নাই।।
পদ্মারে
তোর তুফান দেইখা পরাণ কাঁপে ডরে,
ফেইলা
আমায় মারিস না তোর সর্বনাশা ঝড়ে।।
একে
আমার ভাঙ্গা তরী,মাল্লা ছয়জন ছল্লা করি।।
আমার
নায়ে দিল কুড়াল মারী।।
কেমনে
পারে যায়,কুল কিনারা নাই।।
সর্বনাশা
পদ্মা নদী তোর কাছে সুধায়
বল
আমারে তোর কি রে আর কুল কিনারা নাই।।
ভাটিয়ালী গান ৪
তীর
হারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেব রে।।
আমরা
কজন নওল মাঝি হাল ধরেছি শক্ত করে রে।
তীর
হারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেব রে।।
জীবন
কাটে যুদ্ধ করে, প্রাণের মায়া সাঙ্গ করে জীবনের সাধ নাহী পাই
ও..........ও............ও.............
যানি
তবু চলতে হবে এ তরী বাইতে হবে।।
আমি
যে সাগর মাঝি রে
তীর
হারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেব রে।।
জীবনের
রঙ্গ মনকে টানে না।
ফুলের
ঐ গন্ধ কেমন জানিনা... না না
জোসনার
দৃশ্য চোখে পড়ে না....নানা
তারাও
তো ঘুরে কভু দেখে না।।
বৈশাখী
ঐ রোদ্র ঝড়ে
আকাশ
যখন ভেঙ্গে পড়ে ছিড়া পাল আরো ছিড়ে যাই ও ও ও ও
হঠাৎ
কে যে সংখ্যা শুনা
একি
ঐ ভোরের পাখি গাই
জানি
তবু চলতে হবে এ তরী বাইতে হবে।।
যতই
ঝড় উঠুক সাগরে।
তীর
হারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেব রে।।
পদাবলী কৃত্তন
যদি গৌরাঙ্গ না হত কেমনে হইত
কেমনে ধরিতাম দে।।
শ্রীরাধার মহিমা রসসিন্ধু সীমা, জগতে জানাত কে।
কেমনে ধরিতাম দে।।
যদি গৌরাঙ্গ না হত কেমনে হইত
কেমনে ধরিতাম দে।।
মধুর বৃন্দে বিপিন মাধুরী, প্রবেশ চাতুরী সার
বরজ যুবতী ভাবের ভকতি শকতি হইত কার।
গাও গাও পুণঃ শ্রীগৌরাঙ্গের গুণ।।
ভেবে দেখ ভাই ত্রিভুবন মাঝে এমন দয়াল কোন জন।।
গৌরাঙ্গ বলিয়া গেলাম গলিয়া কেমনে ধরিলাম দে।।
বাসু ঘোষের হিয়া না জানি পাষান দিয়া, কেমনে গড়িয়াছে সে।।
যদি গৌরাঙ্গ না হত কেমনে হইত
কেমনে ধরিতাম দে।।
হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ১
আজ দুজনার দুটি পথ ওগো দুটি দিকে গেছে বেঁকে।।
তোমার ওপথ আ্লোয় ভরানো জানি
ওগো আমার এ পথ আধারে আছে যে ঢেকে
আজ দুজনার দুটি পথ ওগো দুটি দিকে গেছে বেঁকে।।
েআজ শপথের মালা খুলে আমারে গেছোযে ভুলে।।
তোমারেই শুধু দেখি বারে বারে আজ শুধু দুরে থেকে
ওগো আমার এ পথ আধারে আছে যে ঢেকে
আজ দুজনার দুটি পথ ওগো দুটি দিকে গেছে বেঁকে।।
আমার একুল ছাড়ি তব বিস্মরনের খেয়া ভরা পালে অকুলে দিয়েছি
পাড়ি।।
আজ যত বার দ্বীপ জালি আলো সেতো কালি।।
এ বেদনা তবু সহি
হাসি মুখে নিজেরে লুকায়ে রেখে
ওগো আমার এ পথ আধারে আছে যে ঢেকে
আজ দুজনার দুটি পথ ওগো দুটি দিকে গেছে বেঁকে।।
হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ২
আমিও পথের মত হারিয়ে যাব, আমি নদীর মত হারিয়ে যাব
আসব না ফিরে আর আসব না কোনদিন।।
আমিও দিনের মত ফুরিয়ে যাব,
আসব না ফিরে আর আসব না কোনদিন।।
মন আমার বাঁধলো বাসা মনের আকাশে
পাতা ঝরা দিনের মাঝে মেঘলা বাতাসে।।
আমিও ছায়ার মত মিলিয়ে যাব।।
যাবার পথে পথিক যখন পেছন ফিরে চাই,
ফেলে আসা দিনকে মনযে ভেঙ্গে যায়।।
চোখের আলো নিভলো যখন মনের আলো জ্বেলে
একেলা এসেছি আমি একলা যাব চলে।
আমিও সুখের মত ফুরিয়ে যাব
আসব না ফিরে আর আসব না কোনদিন।।
হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ৩
মেঘ কাল আধাঁর কাল তার কলঙ্ক যে কাল
কোলতে বিনদীনি হারালো তার কুল
তার চেয়ে কাল কন্যা তোমার মাথার চুল।।
কাশ যে সাদা ধেনু সাদা আর সাদা খেয়ার পাল
সাদা যে ঐ স্বপ্ন মাখা রাজহংসের পাখা।।
তার চেয়েও সাদা কন্যা তোমার হাতের শাখা।
লজ্বা রাঙ্গা সিদুর রাঙ্গা আর রাঙ্গ্ কৃষ্ণচুড়া
রাঙ্গা যে গো সাজ আকাশের ঐযে অস্তরাগ।।
কন্যা সবার চেয়েও রাঙ্গা তোমার আলতার ঐ দাগ।
শস্য সবুজ পাতা সবুজ আর সবুজ টিয়া পাখি
দুর্বা সবুজ তার সাথে যে চির সবুজ বন।।
সবার চেয়েও সবুজ কন্যা তোমার অবুজ মন।
হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ৪
কেন দুরে থাক শুধু আড়াল রাখ কে তুমি কে তুমি আমায় ডাক।।
মনে হয় শুধু বারে বারে এই বুঝি এলে মোর দ্বারে।।
সে মধুর স্বপ্ন ভেঙ্গ নাকো।।
কেন দুরে থাক শুধু আড়াল রাখ কে তুমি কে তুমি আমায় ডাক।।
ভাবে মাধবী সুরভী তার বিলায়ে, যাবে মধুপীর সুরে সুরে মিলায়ে।।
তোমারী ধিয়ানে ক্ষনে ক্ষনে কত কথা জাগে মোর মনে।।
দুচোকে ফাগুনের ছবিটি আঁক।।
কেন দুরে থাক শুধু আড়াল রাখ কে তুমি কে তুমি আমায় ডাক।।
সুবীর নন্দী
আমি বৃষ্টি কাছ থেকে কাঁদতে শিখেছি
আমায় আর কাঁন্নার ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই।
আমি অগ্নি গীরির কাছে জ্বলতে শিখেছি
আমায় আর জ্বালানোর ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই।
আমি চায়না হতে কারো প্রেমেরও আঁচল
আমি চায়না হতে কারো নয়নেরও জল।।
আমি তটিনীর কাছ থেকে চলতে শিখেছি
আমায় আর পিছু ডাকার ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই
আমি চায়না হতে কারো মনেরও অনল
আমি চায়না হতে কারো চোখের কাজল।।
আমি সাগরের কাছ থেকে জানতে শিখেছি
আমায় আর অসীমের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই।
আধুনিক গান ১
আমার গানের মালা আমি করবো কারে দান।।
মালার ফুলে জড়িয়ে আছে।।
করুণ অভিমান, মালা করব কারে দান।
চোখে মলিন কাজল রেখা, কন্ঠে কাঁদে কুহু কেকা।
কপোলে যার অশ্রু রেখা, একা যাহার প্রাণ।
মালা আমি করবো কারে দান।
শাখায় ছিল কাটার বেদন, মালায় সুচের জ্বালা।।
কন্ঠে দিতে সাহস না পায়।।
অভিশাপের মালা,
মালা আমি করবো কারে দান।
বিরহে যার প্রেমারতি, আঁধার লোকের অরুন্ধুতী।।
নাম না জানা সেই তপতী।
তার তরে আমার গান,
মালা আমি করবো কারে দান।
আধুনিক গান ২
আকাশের হাতে আছে এক রাশি নীল, বাতাসের আছে কিছু গন্ধ,
রাত্রির গায়ে জ্বলো জোনাকী, তটিনীর বুকে মৃদু ছন্দ।
আমার এ দুহাত শুধু রিক্ত, আমার এ দুচোখ জলে শিক্ত।
বুক ভরা নীরবতা নিয়ে অকারণ
আমার এ দুয়ার হলো বন্ধ।
ভেবেতো পাই নি আমি কি হলো আমার।
লজ্জা প্রহরে কেন, খোলে নাকো দ্বার।
জানিনা কেমন করে বলব, খেয়ালে কতই ভেষে চলব।।
বলি বলি করে তবু বলা হলোনা।
জানিনা কিসে এতো দ্বন্দ।
আকাশের হাতে আছে এক রাশি নীল, বাতাসের আছে কিছু গন্ধ,
রাত্রির গায়ে জ্বলো জোনাকী, তটিনীর বুকে মৃদু ছন্দ।
আধুনিক গান ৩
দুদিনের এই প্রান্ত শালায়, আমার বলি কারে।।
হেসে খেলে দিন চলে যায়।।
কে কার খবর রাখে...
দুদিনের এই প্রান্ত শালায়, আমার বলি কারে।
আশা যাওয়ার এই দুনিয়ায়।।
যে আসে হায় সেই চলে যায়।
কেউ চির দিন রয়না হেথায়।।
স্মৃতি পড়ে থাকে।
দুদিনের এই প্রান্ত শালায়, আমার বলি কারে।
যাদের আমি আপন ভাবি মায়ার এ সংসারে
জানি তারা ভাঁধন কেটে চলে যাবে ওপারে।।
একা আমি সংগী বিহীন,
হায়তো চলে যাব সেদিন।
নয়ন জলে ডাকবেনা কেউ।।
দুরের আকাশ থেকে।
দুদিনের এই প্রান্ত শালায়, আমার বলি কারে।
আধুনিক গান ৪
বলবো না গো আর কোন দিন ভালোবাস তুমি মোরে।
বলে ছিলে গো ভালবাসি গো,
আজ কেন গো এমন ও হলো।(২)
এমন ও হলো, এমন ও হলো
বলবো না গো আর কোন দিন ভালোবাস তুমি মোরে।
ভালবাসাতে যদি হয় অপরাধ, তাই গো কেন প্রতিবাদ? (২)
কেন প্রতিবাদ? কেন প্রতিবাদ?
বলবো না গো আর কোন দিন ভালোবাস তুমি মোরে।
ভালোবাসাতে পেয়েছি আঘাত, সেই অনল গদে জ্বলে বার মাস।
বাউলের অন্তরে, বাউলের অন্তরে
বলবো না গো আর কোন দিন ভালোবাস তুমি মোরে।
আধুনিক গান ৫
(যদি) ভুল বুঝে চলে যাও যত খুশি ব্যাথা দাও
সব ব্যাথা নিরবে সইবো
বন্ধুরে তোমার লেখা গান আমি গাইব।
মন গগনে ফুলবনে তুমি বনমালী
আমিতো সেদিন ছিলাম প্রথম গানের কলি।(২)
দুটি বীনা একই সুর, ভালবাসা কি মধুর,যতদুরে তোমায় ছেড়ে
যাইব, বন্ধুরে।।
তোমার লেখা গান আমি গাইব।
যে গানের বিনিময়ে ভালবাসাবাসি যেই গানের ছন্দে দিতাম মুক্ত
ঝরা হাসি।
সেই মিলন রজনি আজও তারে ভুলিনী, বিরহ রাগিনী হয়ে বাচবো
বন্ধুরে।।
তোমার লেখা গান আমি গাইব।
কুল হারা ফুল আমি নাই কোনো ঠিকানা নাই, ভুল বুঝোনা মোরে
যত দুরে ভেষে যাই(২)
পাবোনা জীবনের স্বাদ নিয়ে শুধু অপবাদ, জ্বলে পুড়ে ছাই
হয়ে মরবো,
বন্ধুরে,তোমার লেখা গান আমি গাইব।
ভাইবন্ধু আত্মীয় স্বজন কেউ রবেনা পাশে, মাতাল রাজ্জাকের
শেষ ডাক যদি নেমে আসে(২)
ধুলো কাদা মুছিয়া বন্ধু তোর কাছে গিয়া, চির নিদ্রায় ঢলে
আমি পড়বো
বন্ধুরে,তোমার লেখা গান আমি গাইব।
আধুনিক গান ৬
যারে যাবি যদি যা
পিঞ্জর খুলে দিয়েছি, যা কিছু কথা ছিল ভুলে গিয়েছি
যারে যাবি যদি যা
যারে বাঁধন কেটে যা, যারে হৃদয় ভেঙ্গে যা।
শুনেছি খাঁচার পাখি আপন হবার নয়
জানি রে জানি তোকে ভালবাসা ভাল নয়।।
যারে যাবি যদি যা
যারে আকাশে উড়ে যা যারে পথ ভুলে যা
জানিরে এ জীবনে তোকে পাবার নয়
আকাশের ঠিকানা খুঁজে পাবার কথা নয়।।
যারে যাবি যদি যা
আধুনিক গান ৭
বাবার বাড়ি এই গ্রামে শ্বশুর বাড়ি ঐ
তবে তোমার বাড়ি কই গো নারি তোমার বাড়ি কই।
সারা জীবন ভাত রাধিলি পরের হাড়িতে
আপন ভেবে বাস করিলি পরের বাড়িতে
যেমন পরের ঘরে বেঁধে বাসা বাস করে চুড়ই
গো নারি তোমার বাড়ি কই।
শিশুকাল আর কৈশর কাটে বাবার আশ্রয়ে
যৌবন কাটে স্বামীর কাছে শ্বশুরালয়ে
বৃদ্ধকালে আশ্রয়নাই আর ছেলেকাছে বই
গো নারি তোমার বাড়ি কই।
আধুনিক গান ৮
মনের বাগানে ফুটিল ফুলরে
রসিক ভ্রমর আইলনা, ফুলের মধু খাইলনা
পিরিতেরো এত জ্বালা বন্ধুয়া না জানেরে
বনের পাখি যদি হইতাম উড়িয়া যাইতাম কাছেরে
প্রেমিক ছাড়া মনেরো কথারে সকলেতো বুঝেনা
ফুলের মধু খাইলনা
মাঝি থাকিলে কুলেতে, কুলেতে বসিয়া ভাটায় নৌকা চলে না
প্রেমেরো সাগরে মাঝি না থাকিলে একলা জীবন কাটেনা
নারিরো যৌবন জোয়ারের পানিরে, আজ আছে কাল থাকেনা
চির জীবন থাকেনা, ফুলের মধু খাইলনা।
আধুনিক গান ৯
আজ বিকেলের ডাকে তোমার চিঠি পেলাম।।
রঙিন খামে যত্নে লেখা আমার নাম।
বসে ছিলেম একা ছাতিম বনে, রোদ ছিটোনো শান্তিনিকেতনে।।
তোমার চিঠি, ছোট পাখিহয়ে উড়ে এসে বলল আমি এইত এলাম
আজ বিকেলের ডাকে তোমার চিঠি পেলাম।।
গন্ধে মাখা মিষ্টি চিঠিটাতে, ছোট্ট কটি কথা কেমন আছ তুমি?
সেইটুকুতে শুকনো মরা ডালে, ফুল ফুটিয়ে দিল দুরন্ত মৌসুমী।
ভাল বাসার সেই যে ছোট্ট পাখি,
আনলো বয়ে খুঁশির রাঙা রাখি।।
আমার মনের বন্ধে বেঁধে তাকে
সখের গাঙে আপনাকে আজ ভাসিয়ে দিলাম।
আজ বিকেলের ডাকে তোমার চিঠি পেলাম।।
আধুনিক গান ১০
মধুমালতী ডাকে আয়
ফুলফাগুনের এ খেলায়....২
যুথিকামিনী কতো কথা....২
গোপনে বলে মালোয়ায়
মধুমালতী ডাকে আয়।
চাঁপাবনে কলিসনে আজ লুকোচুরী গো লুকোচুরি
আলোভরা কালোচোখে কি মুধরি কি মাধুরি
মনো চাহে যে ধরা দিতে....২
তবু সে লাজে সরে যায়
মধুমালতী ডাকে আয়।
আধুনিক গান ১১
একটা গান লেখ আমার জন্য
সে গান না হয় আমায় উজাড় করে নেয়
সে সুর যেন আমায় ব্যাকুল করে দেয়
আমি যেন হই তোমার কাছে
না হয় আমি তোমার কাছে ছিলেম অতি নগন্য।
একটা আমার গান লিখ আমার জন্য
আমি ছিলেম তোমার প্রেমের প্রথম স্বপ্ননায়িকা
লিখেছি তোমার মনের আখরে অনেক ছন্দ লিপিকা।
সে দিন আজও আমার মনে পড়ে যায়,
তেমন করে যেন আমায় খুঁজে পায়
জীবন তরী যে বোঝাই সহজ পন্য
না হয় আমি তোমার কাছে ছিলেম অতি নগন্য।
একটা আমার গান লিখ আমার জন্য
আধুনিক গান ১২
কাটেনা সময় যখন আর কিছুতে
বন্ধুর টেলিফোনে মন বসে না
জানালার গ্রীলটাতে ঠেকাই মাথা
মনে হয় বাবার মত কেউ বলে না
আয় খুকু আয়, আয় খুকু আয়।
আয় খুকু আয়, আয় খুকু আয়।
আয়রে আমার সাথে গান গেয়ে যা
নতুন নতুন সুর নে শিখে নে
কিছুই যখন ভাল লাগবে তোর
পিয়ানোয় বসে তুই বাজাবিরে
আয় খুকু আয়, আয় খুকু আয়।
সিনেমা যখন চোখে জ্বালা ধরায়
গরম কফির মালা জুড়িয়ে যায়
কবিতার বইগুলো ছুড়ে ফেলি
মনে হয় বাবা যদি বলত আমায়
আয় খুকু আয়, আয় খুকু আয়।
আয় খুকু আয়, আয় খুকু আয়।
আয়রে আমার কাছে আয় এখনি
কোথাও ঘুরে আসি শহর ছেড়ে
ছেলে বেলার মত তুই বায়না করে
কাজ থেকে নেনা তুই আমায় কেড়ে
আয় খুকু আয়, আয় খুকু আয়।
দোকানে যখন আসি সাজবো বলে
খোঁপাটা বেঁধে নিই ঠান্ডা হাওয়ায়
আরশিতে যখন এই চোখ পড়ে যায়
মনে হয় বাবা যেন বলছে আমায়
আয় খুকু আয়, আয় খুকু আয়।
আয় খুকু আয়, আয় খুকু আয়।
আয়রে আমার কাছে আয় মামনি
সবার আগে আমি দেখি তোকে
কেমন খোঁপা আজ বেঁধেছিস তুেই
কেমন কাজল দিলি দুটি চোখে
আয় খুকু আয়, আয় খুকু আয়।
ছেলেবেলার দিন ফেলে এসে
সবাই আমার মত বড় হয়ে যায়
জানিনা কজনে আমার মতন
মিষ্টি সে পিছুডাক শুনতে যে পায়
আয় খুকু আয়, আয় খুকু আয়।
আয় খুকু আয়, আয় খুকু আয়।
আয়রে আমার পাশে আয় মামনি
এ হাতটা ভাল করে ধর এখনি
হারানো সেদিন চল চলে যাই
ছোট বেলা তোর ফিরিয়ে আনি
আয় খুকু আয়, আয় খুকু আয়।
আধুনিক গান ১৩
পাঠ-১
ও রঙ্গবতী রে রঙ্গবতী
আরে রঙ্গবতী রঙ্গবতী কনকলতা
হাস্য পদে কহনা কথা
হাই গো লাজে লাজে, লাজে লাজে
হে লাজে লাজে, লাজে লাজে
নাই করো নাই করো কথা
পাঠ-২
ও রঙ্গবতী রে রঙ্গবতী
রঙ্গবতী রঙ্গবতী রঙ্গিলা অন্তরে
হাবুডুবু তোমারী কথায়
হাই গো লাজে, লাজে লাজে
পাঠ-৩
হায় লাজে লাজে মরে রয় রসিক নাগর
মোরি নাই কোনো নাই কোনো কথা।।
স্বপনো দিলে স্বপনো, স্বপনো আমার দিলে স্বপনো
রুপে তোমার মরি বাঁচি বক্ষজুড়ে হাহাকার
রঙ্গবতী রঙ্গবতী
ও রঙ্গবতী রে রঙ্গবতী
পাঠ ৪
প্রিয়া প্রিয়ার নোলক, হাতে কাঁকন্ও
মনো বিহঙ্গনো আমারও জীবনো
ধুলাই উড়ি যায় রে ।।
মুখে কোনো কথা নাই যে।।।
শুধু আকারে সাকারে আখিঁর বাহিরে
সরিষা ক্ষেতে দুজন গো।।
ডুবে ডুবে ডুবে আমার অন্তর পুড়িল।।
কুহু কুহু ডাকে আমার বুকের মাঝে হয় তোলপাড়
রঙ্গবতী রঙ্গবতী
ও রঙ্গবতী রে রঙ্গবতী
আধুনিক গান ১৪
ও সাথী..................
একবার এসে দেকে যাও আমি কত সুখে আছি
বেঁচে আছি কিনা মরে গেছি
সাথী বেঁচে আছি কিনা মরে গেছি ও
ও সাথী ......
ভুল বুঝে চলে গেছ আমায় ফেলে্ একা
কতদিন গত হলো পাই না তোমার দেখা।।
সে যে গেলে আর এলেনা কি দোষ বল করেছি।।
একবার এসে দেকে যাও আমি কত সুখে আছি
ও সাথী.....
কি যে ব্যাথা বুকের ভেতর বোঝাবো কি করে
এত শিগ্রি বদলে গেছো তুমি কি প্রকারে।।
আমিতো যেমনি ছিলাম তেমনি আছি।।
একবার এসে দেকে যাও আমি কত সুখে আছি
ও সাথী.......
মানুষের মন নিয়ে ছিনিমিনি খেলনা
এই মন ভেঙে গেলে জোড়া তো লাগে না।।
মোতার ছবি বুকের ভেতর এঁকে রেখেছি।।
একবার এসে দেকে যাও আমি কত সুখে আছি
আধুনিক গান ১৫
একদিন
মাটির ভিতরে হবে ঘর রে মন আমার
কেন
বান্ধ দালান ঘর।
কেন
বান্ধ দালান ঘর।
প্রাণ
পাখি উড়ে যাবে পিঞ্জর ছেড়ে
ধরাধামে
সবি রবে তুমি যাবে চলে।।
বন্ধু
বান্ধব যত মাতা পিতা দার সুত।।
সকলি
হবে তোমার পর রে মন আমার
দেহ
তোমার চরমোচর, গলে পচে যাবে
শিরা
উপশিরা গুলি ছিন্ন ভিন্ন হবে।।
মুন্ডু
মেরুদন্ড সবি হবে খন্ড খন্ড।।
পড়ে
রবে মাটিরো উপর রে মন আমর
কেন
বান্ধ দালান ঘর।
আধুনিক গান ১৬
এই
মন তোমাকে দিলাম
এই
প্রেম তোমাকে দিলাম
তুমি
চোখে আড়াল হও, কাছে কিবা দুরে রও
মনে
রেখ আমিও ছিলাম।।
বকুলের
মালা শুকাবে, রেখে দেব তার সুরভী
দিন
গিয়ে রাতে লুকাবে, মুছো নাকো তোমারই ছবি।
আমি
মিনতি করে গেলাম
এই
মন তোমাকে দিলাম।
ভালোবেসে
আমি বারে বার, তোমারী ও মনে হারাব।
এ
জীবনে আমি যে তোমার মরণেও তোমারী হব।।
তুমি
ভুলোনা আমারও নাম
এই
মন তোমাকে দিলাম।
আধুনিক গান ১৭
নিথুয়া
পাথারে নেমেছি বন্ধুরে
ধর
বন্ধু আমার কেহ নাই ২
তোল
বন্ধু আমার কেহ নাই।
চিকন
ও ধুতিখানি পরিতে না জানি
না
জানি বান্ধিতে কেশ ৩
নিথুয়া
পাথারে নেমেছি বন্ধুরে
ধর
বন্ধু আমার কেহ নাই ২
অল্প
বয়সে পিরিতি করিয়া
হয়ে
গেল জীবনের শেষ ৩
নিথুয়া
পাথারে নেমেছি বন্ধুরে
ধর
বন্ধু আমার কেহ নাই ২
প্রেমেরও
মুরালী বাজাতে না জানি
না
পারি বান্ধিতে সুর ৩
নিথুয়া
পাথারে নেমেছি বন্ধুরে
ধর
বন্ধু আমার কেহ নাই ২
তোল
বন্ধু আমার কেহ নাই।
আধুনিক গান ১৮
(মাগো, মাগো)
মায়ের একধার দুধের দাম কাটিয়া গায়ের চাম ২
পাপোশ বানাইলেও ৠনের শোধ হবে না
এমন দরদী ভবে কেউ হবে না আমার মাগো।
পিতা আনন্দে মাতিয়া সাগরে ভাসাইয়া
ফেইলা চইলা গেল ফিরা আইলো না ২
মায়ের ধরিয়া জঠরে কত কষ্ট করে
ধরিয়া জঠরে
মায়ের ধরিয়া জঠরে কত কষ্ট করে
দশ মাস দশদিন পরে পেল যে বেদনা
এমন দরদী ভবে কেউ হবে না আমার মাগো।
কি বলবো প্রসবের ব্যথা
মা বিনে যে সেই ব্যথা কেউ তো জানেনা আমার মাগো
মরিয়াও মায়ের যেন মরণ হলনা।।
মায়ের ঠেকিয়া সন্তানের দায়
অকালে মা প্রাণ হারায়
কেন সে মায়ের প্রতি ভকিত রাখনা
এমন দরদী ভবে কেউ হবে না আমার মাগো।
আধুনিক গান ১৯
একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি ২
হাসি হাসি পরবো ফাঁসি দেখবে ভারত বাসী
ক্যেলর বোমা তৈরী করে দাঁড়িয়ে ছিলেম রাস্তার ধারে মাগো
২
বড়লাটকে মারতে গিয়ে মারলাম আরেক ইংল্যান্ড বাসী।
শনিবার বেলা দশটার পরে
জজকোর্টেতে লোক না ধরে মাগো
হল অভিরামের দ্বীপ চালান মা, ক্ষুদিরামের ফাঁসি
দশ মাস দশদিন পরে জন্ম নেব মাসের ঘরে
তখন যদি না চিনতে পারিস দেখবি গলায় ফাঁসি
একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি ২
আধুনিক গান ২০
ইন্দুবালা গো ইন্দুবালা গো
ইন্দুবালা গো ও .......
তুমি কোন আকাশে থাকো, জোৎসা কারে মাখো
কার উঠানে পড়ো ঝরিয়া
ডুবিয়া মরিলাম মরিয়া ডুবিলাম ২
তোমারী প্রেমে পড়িয়া
ইন্দুবালা গো ইন্দুবালা গো।।
মনের চালে দুঃখের বৃষ্টি ঝুমঝুমাইয়া পড়ে
একলা ঘরে ভালোবাসা কেঁদে কেঁদে মেরে ২
ডুবিয়া মরিলাম মরিয়া ডুবিলাম ২
তোমারী প্রেমে পড়িয়া
ইন্দুবালা গো ইন্দুবালা গো।।
স্মৃতির ডালে সুখের পক্ষি ঘুঙুর পাইরা নাচে
অন্ত কাটে কষ্ট নামের ভাঙা ভাঙআ কাঁচে ২
ডুবিয়া মরিলাম মরিয়া ডুবিলাম ২
তোমারী প্রেমে পড়িয়া
ইন্দুবালা গো ইন্দুবালা গো।।
আধুনিক গান ২১
বাবা বলে গেল আর কোনদিন গান করো না
কেন বলে গেল সেই কথাটি বলে গেল না ২
গান যদি পৃথিবীতে নাই থাকতো
সা-রে-গা-মা-পা-ধা-নি-সা কি করে হত
বাবা বলে গেল ........... বলে গেল না
যে ছেলেটি গুলি খেয়ে মারা গিয়েছিল
তাকি নিয়ে এত কেন গান গাওয়া হলো
চিরদিন সুরে সুলে বলে মায়েরা
চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দিয়ে যা
গান যদি পৃথিবীতে নাই থাকতো
সা-রে-গা-মা-পা-ধা-নি-সা কি করে হত
বাবা বলে গেল ........... বলে গেল না
অন্ধ সে লোকটা কেন বারে বারে
কেঁদে কেঁদে গান গায় ঘুরে দ্বারে দ্বারে
প্রতিদিন রাস্তআয় মিছিলে মিটি্ এ
চোখে কেন জল আসে গান গাওয়া হলে
গান যদি পৃথিবীতে নাই থাকতো
সা-রে-গা-মা-পা-ধা-নি-সা কি করে হত
বাবা বলে গেল ........... বলে গেল না
পাখিরা বলে যদি গান গাব না
তবে জেনো পৃথিবীতে ভোর হবে না
সব সুর মিলে যদি করে হরতাল
আমাদের দুঃখ রবে চিরকাল
গান যদি পৃথিবীতে নাই থাকতো
সা-রে-গা-মা-পা-ধা-নি-সা কি করে হত
বাবা বলে গেল ........... বলে গেল না
আধুনিক গান ২২
আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন শুনেছিলাম গান
সেদিন থেকে গানই জীবন গানই আমান প্রাণ
আমার মায়ের আদেশ বাবার মত গাইতে হবে গান
সেদিন থেকে গানই জীবন গানই আমার প্রাণ।
শিল্পীর ঘরে জন্ম তাই শিল্পী হয়েছি
সংগীতটাকে সারাজীবন সংগী করেছি
জীবনে যত দুঃখ যত কষ্ট পেয়েছি
সুরের মাঝে ডুবে গিয়ে সবই ভুলেছি
এই গানই জীবন মরণ গানই যেন প্রাণ।
বাবা যেন আজও স্বর্গে বসে গাইছে সেই গান
যেই গান শুনে মা বাবাকে সপেছিল মনপ্রাণ
কোনদিন এই কন্ঠ যদি কখনো থেমে যায়
সেইদিন যেন মরণ্ এসে আমাকেও নিয়ে যায়
এই গানই জীবন মরণ গানই যেন প্রাণ।
আধুনিক গান ২৩
এই দুনিয়া এখন তো আর সেই দুনিয়া নাই
মানুষ নামের মানুষ আছে দুনিয়া বোঝাই
এই মানুষের ভীড়ে আমার সেই মানুষ নাই।
মটির দেহ খাইলো ঘুনে দেখলো না তো কেউ
সারা জীবন দুই নয়নে রইল জলের ঢেউ।।
আমার দুঃখের কথা কইতে গেলে
এই দুনিয়ার সবাই বলে, শোনার সময় নাই।
মানুষ নামের মানুষ আছে দুনিয়া বোঝাই
এই মানুষের ভীড়ে আমার সেই মানুষ নাই।
হায় এখন বুঝি দারুন সময় বদলে গেছে দিন
কেউ আমারে চায়না দিতে একটু সময় ৠণ।।
আমার মনের বাগান রইল খালি
সেই বাগানের সুজন মালী বলো কোথায় পায়
মানুষ নামের মানুষ আছে দুনিয়া বোঝাই
এই মানুষের ভীড়ে আমার সেই মানুষ নাই।
পল্লী গীতি ১
আমার সোনা বন্ধুরে তুমি কোথায় রইলা রে
দিনে রাইতে তোমায় আমি খুইজা মরিরে।।
প্রথম দেখার কালে বন্ধু কথা দিয়া ছিলে
ভুলিবে না মোরে এই জীবন গেলে
যদি না পাই তোমারে আমার জীবনের তরে
সোনার জীবন অঙ্গার হইব।।
তোমার লাইগা রে
আমার সোনা..................রইলারে
ভুলতে পার তুমি বন্ধু আমি ভুলি নাই
মরণ কালে একবার যেন তোমার দেখা পায়
পরকালে যেন বন্ধু তোমার দেখা পাই
যদি না পায় তোমারে প্রেম যাইবে বিফলে
তখন কিন্তু বলব আমি।।
প্রেম কিছুনারে
আমার সোনা..................রইলারে
পল্লীগীতি ২
কে বলে পাগল...........
সে যেন কোথায় রয়েছে কতই
দুরে
মন কেন এত কতা বলে।
পাগল মন মনরে মন কেন এত
কতা বলে।।
মনকে আমার যত চাইযে বুঝাইতে,
মন আমার চাই রঙ্গের ঘোড়া
দৌড়াইতে।
পাগল মন মনরে মন কেন এত
কতা বলে।।
আমি বাকে আমার মনটা বাকে
আজও পারলামনা আমার মনকে
চিনিতে।।
পাগল মন মনরে মন কেন এত
কতা বলে।।
আশি তুলাই সের হইলে, চল্লিশ
সেরে মন।
মনে মনে এক মন না হইলে
মিলবে না ওজন।।
পাগল মন মনরে মন কেন এত
কতা বলে।।
কে বলে পাগল...........
সে যেন কোথায় রয়েছে কতই
দুরে
মন কেন এত কতা বলে।
পাগল মন মনরে মন কেন এত
কতা বলে।।
পল্লীগীতি ৩
আমি কি তোর আপন ছিলাম নারে জরিনা, আমি কি তোর আপন ছিলাম
না।
ছোট্ট কালে গাছ তলাতে পুতুল খেলার ছলনাতে,
আম কুড়াতে যাইতাম দুইজনা রে জরিনা।
খেলার সাথী যখন ছিলাম, আপন হইয়া কাছে রইতাম
সেই কথা কি মনে পড়ে না।
ভালবেসে আদর করে, এখন কেন রইলি দুরে
কোন খানে তোরে পাইলাম না রে জরিনা।।
ভালবাসা কঠিন ব্যাধি, জ্বালায় পুড়ায় নিরবধি
সেই ব্যাধি জীবনে সারেনা।
প্রেম বিরহ আরতো সই না, অন্তর পোড়া দেখা যায়না।
প্রেমে কি আর নাইরে যন্ত্রনারে জরিনা।
পল্লীগীতি ৪
ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে
রইবনা আর বেশি দিন তোদের মাঝারে
হাইরে, ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে
ও আমি চলতি পথে দুদিন থামিলাম
ভালবাসার মালাখানি গলে পরিলাম, আমি গলে পরিলাম
আমার সাধের মালা যায়রে ছিড়ে
রইবনা আর বেশি দিন তোদের মাঝারে
ও আমি কতজনে কত কি দিলাম
যাইবার কালে একজনারো দেখা না পাইলাম, আমি দেখা না পাইলাম।
আমার সংগের সাথী কেউ হইলনারে
রইবনা আর বেশি দিন তোদের মাঝারে
পল্লীগীতি ৫
আমার কাংখের কলসি জলে গিয়াছে ভাসি
মাঝিরে তোর নৌকার ঢেউ লাগিয়ারে।।
ধীরে নৌকা বাইয়া যদি নদী হইতে পার
তবে কি আর কলসি খানা ভাসিতো আমার।।
আমার সহে না দেরী আমি উপায় কি করি
গৃহে যাবার সময় গেল বইয়ারে
মাঝিরে তোর নৌকার ঢেউ লাগিয়ারে।।
এবার যদি ঢেউ লাগিয়া কলসি হইরে তল
মাঝিরে তোর দেশে যাওয়া হবেরে বিফল।।
আমার শাড়ির অঞ্চলে কলে কৌশলে
নৌকা খানা রাখিব বাঁধিয়ারে
মাঝিরে তোর নৌকার ঢেউ লাগিয়ারে।।
পল্লীগীতি ৬
তুমি আরেক বার আসিয়া যাও মোরে কান্দাইয়া।।
আমি মনের সুখে একবার কাঁনতে চাই।
পোড়া বুকে দারুন খরা চোখের পানি চোখে নাই
তুমি আরেক বার আসিয়া যাও মোরে কান্দাইয়া।।
না পারিলাম বাঁচতে আমি না পারিলাম মরতে
না পারিলাম পিরিতের ঔ সোনার পাখি ধরতে
আমি একুল হতে ওকুল গেলাম ঘাটে ঘাটে চোখ রাখিলাম
আসায় আসায় ছিলাম যদি বন্ধুর দেখা পাই
তুমি আরেক বার আসিয়া যাও মোরে কান্দাইয়া।।
আমি না বাঁধিলাম ডাঙ্গাতে ঘর না ডুবিলাম জলে
না পাইলাম কুল কারো মনে না ভাসলাম অকুলে
তোমায় নাইবা পেলাম এই জনমে, সঙ্গী হব তোমার সনে
সকল বাঁধন ছিড়ে যখন ওই পারেতে যায়
তুমি আরেক বার আসিয়া যাও মোরে কান্দাইয়া।।
পোড়া বুকে দারুন খরা চোখের পানি চোখে নাই
তুমি আরেক বার আসিয়া যাও মোরে কান্দাইয়া।।
পল্লীগীতি ৭
দোল
দোল দোলনী রাঙা মাথার চিরুনী
এনে
দেব হাট থেকে মান তুমি করোনা
নোটন
নোটন খোপাটি তুলে দের দোপাটি
রাঙা
ফিতায় বেঁধে দের মান তুমি করোনা।।
দোল
দোল দোলনী রাঙা মাথার চিরুনী
এনে
দেব হাট থেকে মান তুমি করোনা
চেয়ে
দেখ ডালিম ফুলে ঐ জমেছে মৌ
বউ
কথা কউ ডাকছে পাখি কয় না কথা বউ
ঝুমঝুমি
মল পায়েতে গয়না সোনার গায়েতে
আরো
দেব নাকের নোলক মান তুমি করো না
চাঁদের
সাথে নিত্যরাতে তারায় কথা কয়
আপন
জনা পর হইলে তাওকি প্রাণে সয়
একটু
খানি হাসনা কাছে এসে বসনা
এনে
দেব রেশমী চুড়ি মান তুমি করো না।
পল্লীগীতি ৮
বন্ধু তিন দিন তোর বাড়িত গেলাম দেখা পাইলাম না ২
গাঙ পার হইতে ছয় আনা ফিরা আইতে ছয় আনা
আইতে যাইতে বার আনা উসুল হইল না।
বন্ধু তিন দিন........
বুধবারে শুভযাত্রা বিশুধবারে মানা
শুক্রবারে প্রেমপিরিতি হয়না ১৬ আনা
শনিবারে গিয়া যে তোর দেখা পাইলাম না
বন্ধু তিন দিন........
তোর কাছে যাইবার বেলায় ঠোঁট রাঙআয় পানে
একলা পাইয়া ঘাটের মাঝি উল্টা বইঠা টানে
কাপড় ভিজ্জা যাবার ভয়ে সাঁতার দিলাম না
বন্ধু তিন দিন.....
ঝড় বৃষ্টি মাথায় লইয়া গেলাম রাইতের বেলা
গিয়া দেখি কাঠের দরজায় লোহার একখান তালা
চাবি লইয়া তুইতো বন্ধু আইজো আইলি না
বন্ধু তিন দিন.......
পল্লীগীতি ৯
ওকি গাড়িয়াল ভাই
কত রব আমি পন্থের দিকে চাইয়া রে।
যেদিন গাড়িয়াল উজান যায়
নারীর মন মোর ছুইড়া রয় রে ২
ওকি গাড়িয়াল ভাই
হাঁকাঁও গাড়ি তুমি চিলমারীর বন্দরে রে।
েআর কি কব দুস্কের ও জ্বালা গাড়িয়াল ভাই
গাঁথিয়াছি বনমালারে ২
ওকি গাড়িয়াল ভাই
কত কাঁদি মুই নিথুয়া পাথারে রে
ওকি গাড়িয়াল ভাই
কত রব আমি পন্থের দিকে চাইয়া রে
লালন গীতি ১
ধন্য ধন্য বলি তারে।।
বেঁধেছে এমন ঘর, শূন্যের উপর পোস্তা করে।
ধন্য ধন্য বলি তারে।।
ঘরের সবে মাত্র একটি খুঁটি
খুঁটির গোড়ায় নাইকো মাটি।।
কিসে ঘর রবে খাঁটি।।
ঝড়ে তুফান এলে পরে।
ধন্য ধন্য বলি তারে।।
ঘরের মুলাধার কুঠরী নয়টা।
তার উপরে চিলে কোঠা।।
তাহে এক পাগলা ব্যাটা।।
বসে একা একেশ্বরে।
ধন্য ধন্য বলি তারে।।
ঘরের উপর নিচে সারি সারি
সাড়ে নয় দরজা তারি।।
লালন কয় যেতে পারি।।
কোন দরজা খুলে ঘরে।
ধন্য ধন্য বলি তারে।।
লালন গীতি ২
আপন ঘরের খবর নেনা।।
অনায়াসে দেখতে পাবি।।
কোন খানে কার বারামখানা।
আপন ঘরের খবর নেনা।।
কোমল ফোটা কারে বলি
কার মোকাম তার কোথায় গলি।।
কোন সময় পড়ে ফুলি।।
মধু খায় সে অলি জনা।
আপন ঘরের খবর নেনা।।
অন্য জ্ঞান যার সখ্য মোক্ষ, সাধকেরী উপলক্ষ।।
অপরূপ তার বৃক্ষ।।
দেখলে চোখের পাপ থাকেনা।
আপন ঘরের খবর নেনা।।
শুষ্ক নদীর শুক সরোবর
তিলে তিলে হয় গো সাঁতার।।
লালন কয় কৃতি কর্মার।।
কৃতি কর্মার কি কারখানা
আপন ঘরের খবর নেনা।।
লালন গীতি ৩
চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি।।
ভেদ পরিচয় দেয় না আমায়।।
ঐ খেদে ঝরে আঁখি, আমার ঐ খেদে ঝরে আঁখি।
চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি।।
পাখি বলে শুনতে পায়, রূপ কেমন তার দেখি নাই ভাই।।
বিষম ঘোর দেখি।।
চেনাল পেলে চিনে নিতাম
যেত মনের ধুকধুকি।
পোষা পাখি চিনলাম না, এ লজ্জাতো যাবে না।।
উপায় কি করি।।
কোনদিন পাখি যাবে উড়ে।।
ধুলো দিয়ে দুই চোখে।।
চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি।।
নয় দরজা খাঁচাতে, যায় আসে পাখি কোন পথে।।
চোখে দিয়ে রে ভেল্কি।।
সিরাজ সাঁই কয় বয় লালন বয়।।
ফাঁদ পেতে ঐ সিদমুখী।
চিরদিন পুষলাম এক অচিন পাখি।।
লালন গীতি ৪
দিন থাকিতে দিনের সাধন কেন জানলে না
সময় গেলে সাধন হবে না
জাননা মন খালে বিলে থাকেনা মিন জল শুকালে
কি হবে আর বাধাল দিয়ে মোহনা শুকনা
ও মন মোহনা শুকনা
সময় গেলে সাধন হবে না
অসময়ে কৃষি করে মিছা মিছি খেটে মরে
গাছ যদি হয় ফলের জোরে তাতে ফল ধরে না
ও মন ফল ধরে না
সময় গেলে সাধন হবে না
লালন গীতি ৫
কবে সাধুর চরণধুলি মোর লাগবে গায়
আমি বসে আছি আ্রশাসিন্ধু হয়ে সদাই
কবে সাধুর চরণধুলি মোর লাগবে গায়
চাতক যেমন মেঘের জল বিনে
অহর্নিশি চেয়ে আছে মেঘ ধিয়ানে
ওসে তৃষ্ণায় মৃত্যু গতি জীবনে হইলো
ঐ দশা আমার।।
ভজন সাধন আমাতে নাই
কেবল মহৎ নামের দেই গো দোহায়
তোমার নামের মহিমা জানাও গো সাঁই
পাপীর হও সদয়
শুনেছি সাধুর করুণা
সাধুর চরণ পরশিলে হয় গো সোনা।
বুঝি আমার ভাগ্যে তাও হলো না
ফকির লালন কেঁদে কই।
লালন গীতি ৬
খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়
পাখি ধরতে পারলে মন বেড়ী দিতাম পাখি পায়
কেমনে আসে যায়।
আট কুঠরী নয় দরজা আটা
মধ্যে মধ্যে ঝরকা কাটা
তার উপরে সদর কোঠা
আয়না মহল তায়।
কপালের ফের নইলে কি আর
পাখিটির এমন ব্যবহার
খাঁচা ছেড়ে পাখি আমার
কোন খানে পালায়
মন তুই রইলি খাঁচার আশে
খাঁচা যে তার কাঁচা বাঁশের
কোন দিন খাঁচা পড়বে খসে
ফকির লালন কেঁদে কই।
লালন গীতি ৭
মিলন হবে কত দিনে
আমর মনের মানুষের সনে।।
চাতক প্রায় অহর নিশি
চেয়ে আছে কালো শশি
হবে বলে চরণ দাসী
তা হয়না কপাল গুনে।।
মেঘের বিদ্যুৎ মেঘে যেমন
লুকালে না পায় অন্বেষণ।
কালারে হারায়ে তেমন
ও রুপ হেরিয়ে দর্পণে।।
যখন ঐ রূপ স্মরণ হয়
থাকেনা লোক লজ্জার ভয়।
লালন ফকির ভেবে বলে সদায়
প্রেম যে করে সেই জানে।।
ছড়াগান ১
এক যে ছিল ব্যাঙ লিক লিকে তার ঠ্যাঙ,
মস্ত বড় হাতিটাকে মারল কোষে ল্যাঙ।।
উল্টে গিয়ে হাতি ভাঙ্গল বুকের ছাতি,
দিন দুপুরে পথের মাঝে লাগল হাতাহতি।।
পড়শিরা সব দেখতে এসে জুড়লো ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ।।
অক্কা পেল হাতি খেয়ে ব্যাঙের লাথি,
লিক লিকে ব্যাঙ ঘুরে বেড়ায় ফুলিয়ে বুকের ছাতি।
লড়ায় তাকে শিখিয়েছিল চীনের জ্যাং চ্যাং।।
এক যে ছিল ব্যাঙ লিক লিকে তার ঠ্যাঙ,
মস্ত বড় হাতিটাকে মারল কোষে ল্যাঙ।।
উল্টে গিয়ে হাতি ভাঙ্গল বুকের ছাতি,
ছড়াগান ২
আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজার রাজত্বে
নইলে মোরা রাজার সাথে মিলব কি স্বত্বে।
আমরা জা খুশি তাই করি, তবু তাঁর খুঁশিতে চলি,
আমরা নই বাঁধা নই দাসের রাজার ট্রাসের রাজত্বে।
নইলে মোরা রাজার সাথে মিলব কি স্বত্বে।
রাজা সবারে দেন মান, সে মান আপনি ফিরে পান,
মোদের খাটো করে রাখে নাকেউ কোনো অসত্যে...
নইলে মোরা রাজার সাথে মিলব কি স্বত্বে।
আমরা চলব আপন মতে, শেষে মিলব তাঁরি পথে,
মোরা মরব না কেউ বিফলতার বিষম আবর্তে...
নইলে মোরা রাজার সাথে মিলব কি স্বত্বে।
ছড়াগান ৩
আমাদের দেশটা স্বপ্নপুরী
সাথে মোদের ফুলপরী
ফুলপরি লালপরী, লালপরী নীলপরী
সবার সাথে ভাব করি।।
এই খানে মিথ্যা কথা কেউ বলে না
এখানে অসৎ পথে কেউ চলে না
পড়ার সময় লেখাপড়া
কাজের সময় কাজ করা
খেলার সময় হলে খেলা করি
আমাদের দেশটা স্বপ্নপুরী
এখানে মন্দ হতে কেউ পারে না
এখানে হিংসা কভু কেউ করে না
নেই কোন অপমান
ছোট বড় সবাই সমান
ভালবাসা দিয়ে জীবন গড়ি।
আমাদের দেশটা স্বপ্নপুরী
ফুলপরি লালপরী, লালপরী নীলপরী
সবার সাথে ভাব করি।।
ছড়াগান ৪
লাল ঝুটি কাকাতুয়া
ধরেছে যে বায়না
চাই তার লাল ফিতে
চিরুনী আর আয়না
যেদ বড় লাল পেড়ে
টিয়ে রং শাড়ি চায়
মন ভরা রাগ নিয়ে
হলো মন ভারী তাই
বাটা ভরা পান দেব
মান কেন যায় না।
ছোট থেকে বড় যদি
কোন দিন হতে চাও
ভাল করে মন দিয়ে
লেখা পড়া করে যাও
দুষ্টুমি করে যে
কেউ তারে চায় না।
মাইজ মাভান্ডারীর গান ১
বন্দে মায়া লাগাইচে পিরিতি শিখাইছে,
দেওয়ানা বানাইছে
কি জাদু করিয়া বন্দে মায়া লাগাইছে।
বসে ভাবি নিরালায়, আগেতো জানিনা বন্দের পিরিতের জ্বালা।
যেন েইটেভাটায় দিয়া কয়লা আগুন লাগাইছে
দেওয়ানা বানাইছে
কি জাদু করিয়া বন্দে মায়া লাগাইছে।
আমি কি বলিব আর, বিচ্ছেদের আগুনে পুড়ে কলিজ্বা অঙ্গার,
প্রান বন্ধের পিরিতে আমায় পাগল বানায়ছে।
দেওয়ানা বানাইছে
কি জাদু করিয়া বন্দে মায়া লাগাইছে।
বাউল আব্দুল করিম কয়, ভুরিতে পারিনা আমার মনে যারে চায়,
কুল নাশা পিরিতের নেশায় কুল মান গেছে।
দেওয়ানা বানাইছে
কি জাদু করিয়া বন্দে মায়া লাগাইছে।
মাইজ মাভান্ডারীর গান ২
বাউলা কে বানাইল রে, হাসন রাজারে বাউলা কে বানাইল রে।
বানাইল বানাইল বাউলা তার নাম হয় যে মাউলা,
দেখিয়া তার রুপের ঝলক
হাসন রাজা হইল আউলা
কে বানাইল রে, হাসন রাজারে বাউলা কে বানাইল রে।
হাসন রাজা হইছে পাগল প্রাণ বন্ধের কারণে
বন্ধু বিনে হাসন রাজা অন্য নাহি পানে।
কে বানাইল রে, হাসন রাজারে বাউলা কে বানাইল রে।
মাইজ মাভান্ডারীর গান ৩
দেখে যারে মাইজভান্ডারে দেখে যারে ২
হইতাছে নুরের খেলা
নরী মাওলা বসাইছে প্রেমের মেলা
আল্লাহ আল্লাহ রবে নানান বাদ্য শোনা যায়
গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর আশেকানে হুশ হারায়
জিকিতে আকাশ বাতাস করে আল্লাহ হু আল্রাহ
নরী মাওলা বসাইছে প্রেমের মেলা
খাঁটি দিলে নরী মাওলার যে করিবে জিয়ারত
দীলের পর্দা যাবে খুলে এ হবে তার এবাদত
অন্ধেোরে ডাকবি কারে না হইলে তোর দীল খোলা
নরী মাওলা বসাইছে প্রেমের মেলা
দিন থাকিতে ওরে গফুর গেলি না মাইজভান্ডার
মনের আশ না মিটিল পাইলি না মাওলার দিদার
যাইতি মোরাকাবায় দেখতিরে মুর্শিদ মাওলা
নরী মাওলা বসাইছে প্রেমের মেলা
দেশের গান ১
আমার
সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি
চিরদিন
তোমার আকাশ তোমার বাতাস আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি
আমার
সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি
প্রথম অন্তরা
ও
মা ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে।
ও
মা অঘ্রানে তোর ভরা ক্ষেতে কি দেখেছি মধুর হাঁসি
সোনার
বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি
সঞ্চারী
কে
শোভা কি ছায়াগো কি স্নেহ কি মায়াগো
কি
আচঁল বিছায়েছ বটের মুলে নদীর কূলে কূলে
দ্বিতীয় অন্তরা
মা
তোর মুখের বানী আমার কানে লাগে সুধার মত
মা
তোর বদন খানি মলিন হলে আমি নয়ন জলে ভাসি
সোনার
বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি
দেশের গান ২
সালাম সালাম হাজার সালাম সালাম
সকল শহীদ স্মরণে,
আমার হৃদয় রেখে যেতে চাই তাদের স্মৃতির চরণে।।
১ম অন্তরা
মায়ের ভাষায় কথা বলাতে, স্বাধীন আশায় পথ চলঅতে
হাসি মুখে যারা দিয়ে গেল প্রাণ সেই স্মৃতি নিয়ে গেয়ে যায় গান
তাদের বিজয় মরণে
আমার হৃদয় রেখে যেতে চাই তাদের স্মৃতির চরণে।।
সঞ্চারী
ভাইয়ের বুকের রক্তে আজিকে, রক্ত মশাল জ্বলে দিকে
সংগ্রামী আজ মহাজনতা, কন্ঠে তাদের নব বারতা
শহীদ ভাইয়ের স্মরণে
আমার হৃদয় রেখে যেতে চাই তাদের স্মৃতির চরণে।।
২য় অন্তরা
বাংলাদেশের লাখো বাঙালী, জয়ের নেশায় চলে রক্ত ঢালি
আলোর দেয়ালী ঘরে ঘরে জ্বালী ঘুচিয়ে মনের আঁধার কালী
শহীদ স্মৃতির স্মরণে
আমার হৃদয় রেখে যেতে চাই তাদের স্মৃতির চরণে।।
দেশের গান ৩
একতারা তুই দেশের কথা বলরে এবার বল
আমাকে তুই বাউল করে সংগে নিয়ে চল
জীবন মরণ মাঝে তোর সুর যেন বাজে।
একতারা তুই দেশের কথা বলরে এবার বল
একটি কথায় আমি শুধু বলে যেতে চায়
বাংলা আমার সুখে দুখে হয় যেন গো ঠাই রে।।
একটি গানই শুধু আমি গেয়ে যেতে চায়
বায়লা আমার আমি যে তার আরতো চাওয়া নাই রে।।
প্রাণের প্রিয় তুমি মোর সাধের জন্মভূমি
তোমায় বরণ করে যেন যেতে পারি মরি।।
একতারা তুই দেশের কথা বলরে এবার বল
দেশের গান ৪
সোনা সোনা লোকে বলে সোনা সোনা নয় তত খাঁটি
বল যত খাঁটি তার চেয়ে খাঁটি বাংলাদেশের মাটিরে
আমার জন্মভূরি মাটি।।
ধন জন মন যত ধন দুনিয়াতে
হয়কি তুলনা বাংলার করো সাথে।।
কত মার ধন মানেক রতন
কত জ্ঞানীগুনী কত মহাজন
এনেছে আলোর সূর্য্ এখানে আঁধারের পত পাতিরে
আমার বাংলাদেশের মাটিরে, আমার জন্মভূরি মাটি।।
এই মাটির তলে ঘুমায়েছে অভিরাম
রফিক শফিক বরকত কত নাম।।
কত তিতুমীর কত ঈশা খান
দিয়েছে জীবন দেইনি তো মান।।
রক্ত আসন পাতিয়া এখানে ঘুমায়েছে পরিপাটি রে।
বাংলাদেশের মাটিরে
আমার জন্মভূরি মাটি।।
দেশের গান ৪
এই পদ্মা এই মেঘনা এই যমুনা সুরমা নদী তটে।
আমার রাখাল মন গান গেয়ে যায়
এই আমার দেশ এই আমার প্রেম
আনন্দ বেদনায় মিলন বিরহ সংকটে।।
এই মধুমতি ধান সিঁড়ি নদীর তীরে
নিজেকে হারিয়ে যেন পায় ফিরে ফিরে
এক নীল ঢেউ কবিতার প্রচ্ছদ পটে।।
কত আনন্দ বেদনায় বিরহ সংকটে।
এই পদ্মা এই মেঘনা
এই হাজার নদীর অববাহিকায়।
এখানে রমনীগুলো নদীর মত নদী নারীর মত কথা কয়।।
এই অবারিত সবুজের প্রান্ত ছুঁয়ে
নির্ভয়ে নীল আকাশ রয়েছে নুয়ে
যেন হৃদয়ের ভালোবাসা হৃদয়ে ফুটে।।
কত আনন্দ বেদনায় বিরহ সংকটে।
দেশের গান ৫
জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো
এমন করে আকুল হয়ে আমায় তুমি
ডাক।।
তোমার কথায় হাসতে পারি,
তোমার কথায় কাঁদতে পারি
মরতে পারি তোমার বুকে
বুকে যদি রাখ মাগো
এমন করে আকুল হয়ে আমায় তুমি
ডাক।।
তোমার কথায় কথা বলি পাখির
গানের মতো
তোমার দেখায় বিশ্ব দেখি র্ব্ণ
কতশত।
তািম আমার খেলার পুতুল আমার
পাশে থাক মাগো।।
এমন করে আকুল হয়ে আমায় তুমি
ডাক।।
তোমার প্রেমে তোমার গন্ধে
পরাণ ভরে রাখি
এইতো আমার জীবন মরণ এমনি
যেন থাকি
বুকে তোমার ঘুমিয়ে গেলে জাগিয়ে
দিও নাকো মাগো।।
এমন করে আকুল হয়ে আমায় তুমি
ডাক।।
লোকগীতি ১
বলি
ও ননদী আর দু মুঠো চাল তুলে দে হাড়িতে,
ঠাকুর
জামাই এলো বাড়িতে। ২
ইস্টিশনের
বাবুর মত মিষ্টি পান খেয়ে,২
দেখেন
তোরে দেখছে কেমন ডেপডেপিয়ে চেয়ে
আমি
তাইতো বলি চুল বেঁধে সাঁজ ২
হলুদ
রাঙ্গা শাড়িতে
ঠাকুর
জামাই এলো বাড়িতে।
পাঠাই
কারে জেলে পাড়ায় আনতে হবে মাছ ২
আর
কিনতে হবে রাঙ্গা আলু ২
পটল
গোটা পাঁচ
এমন
সময় মিনসে দেখি ২
সাবান
ঘসে দাড়িতে
ঠাকুর
জামাই এলো বাড়িতে।
লোকগীতি ২
ওরে হাড় মোর জ্বলিয়া গেল দেওরা রে ২
তোমার দাদার পাল্লায় পড়ে জাত কুলমান গেল রে
ওরে হাড় মোর জ্বলিয়া গেল দেওরা রে ২
হাউস করে দিছে বিয়া পাঁচ ভাইয়ের সংসারে
ভাসার শ্বশুর দেওরা ভালো ২
মিনসের কপাল পোড়ারে
ওরে হাড় মোর জ্বলিয়া গেল দেওরা রে ২
ইলশা মাছের মাথা দিয়া হবে কচুর শাক
তাইতো ভাসুর দিলেন টাকা করতে বাজার হাট
মিনষে আনে লেঠা মাছ আর ২
তেলা কচুর পাতারে
ওরে হাড় মোর জ্বলিয়া গেল দেওরা রে ২
ভাইয়ের ছেলের মুখে ভাতে গেলাম বাপের বাড়ি ২
মিনষে আমার মাকে বলে ২
কেমন আছেন দিদি রে
ওরে হাড় মোর জ্বলিয়া গেল দেওরা রে ২
লোকগীতি ৩
ও
কি ও বন্ধু কাজল ভ্রমরারে,
কোন
দিন আসিবেন বন্ধু কইয়া যান কইয়া যান রে।
যদি
বন্ধু যাবার চাও, ঘাড়ের গামছা থুইয়া যাও রে
বন্ধু
কাজল ভ্রমরারে,
কোন
দিন আসিবেন বন্ধু কইয়া যান কইয়া যান রে।
বটবৃক্ষের
ছায়া যেমন রে, মোর বন্ধুর মায়া তেমন রে
বন্ধুরে বন্ধুরে
বন্ধুরে
বন্ধু
কাজল ভ্রমরারে,
কোন
দিন আসিবেন বন্ধু কইয়া যান কইয়া যান রে
0 মন্তব্যসমূহ